Saturday, July 04, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

জাবিতে নবীনদের র‍্যাগিং, ১২ শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসাবাদ প্রশাসনের

অভিযুক্ত ১২ শিক্ষার্থীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন

আপডেট : ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:২২ পিএম

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ইতিহাস বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদেরকে গভীর রাতে ডেকে নিয়ে ‘ম্যানার’ শেখানোর নামে র‍্যাগিং করার অভিযোগ উঠেছে একই বিভাগের একদল সিনিয়র শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। 

এ ঘটনায় অভিযুক্ত ১২ শিক্ষার্থীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরে ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ দিলে অভিযুক্তরাও র‍্যাগিংয়ের বিষয়টি স্বীকার করেন। 

শুক্রবার (৩ জুলাই) দিবাগত রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্তরা সবাই ইতিহাস বিভাগের ৫৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। 

অভিযুক্তরা হলেন- সুভাশীষ রায়, নাছিম উদ্দিন মজুমদার, আবু আবতাহী অনিক, নাইমুল হাসান, আব্দুল্লাহ মাহদী, ইসফাক হাদী সিক্ত, মো. রায়হান খান, কাজী শাহ জামসেদ আলম নাবিল, সাইফুল্লাহ মানসুর আনান, মো. মাহফুজুর রহমান অন্ত, শ্রী কার্তিক চন্দ্র রায় ও নাইম আহমেদ সজিব। 

‎ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শুক্রবার রাত ১১টার দিকে ইতিহাস বিভাগের ৫৫তম ব্যাচের কয়েকজন শিক্ষার্থীকে ফোন করে প্রথমে মহুয়া মঞ্চের সামনে এবং পরে বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে যেতে বলা হয়। সেখানে কিছু সময় অপেক্ষা করানোর পর তাদের মাঠসংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর ‘ফরমাল পরিচয়’ ও ‘ম্যানার’ শেখানোর কথা বলে বাবা-মাকে নিয়ে অশালীন ভাষায় গালাগাল, কান ধরে দাঁড় করিয়ে রাখা এবং বিভিন্নভাবে মানসিক ও শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ করেন তারা। 

‎ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মো. এহসানুল হক বলেন, “এ সময় আমাদের বাবা-মাকে নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করা হয়েছে। কান ধরে দাঁড় করিয়ে রাখা হয় এবং ফরমাল পরিচয়ের নামে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়।” 

প্রক্টরিয়াল টিমের কাছে দেওয়া লিখিত স্বীকারোক্তিতে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীরা দোষ স্বীকার করে বলেন, “আমরা ইতিহাস বিভাগের ৫৫তম ব্যাচের ১৩ জন শিক্ষার্থীকে ম্যানার শেখানোর নামে জাবি স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে ডেকে নিয়ে র‍্যাগিং করেছি।” 

‎এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. আবদুর রাজ্জাক বলেন, “খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। পরে সংশ্লিষ্টদের নিরাপত্তা অফিসে এনে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। বিষয়টি প্রক্টরিয়াল বডির সভায় উপস্থাপন করা হবে। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।” 

 

   

About

Popular Links

x