Thursday, May 23, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে প্রথম ভারত-বাংলা চলচ্চিত্র পুরস্কার

দুই দেশের জন্যই ১২টি ক্যাটেগরিতে পুরস্কার থাকবে

আপডেট : ২৯ আগস্ট ২০১৯, ০৯:২৫ পিএম

বাংলাদেশ ও ভারতের বিনোদন শিল্পের প্রসারে ঢাকায় একটি পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে বলে জানিয়েছে ভারতের চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিবেশকদের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিল্ম ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া। 

ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের বরাত দিয়ে এখবর জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ইউএনবি।

একইসঙ্গে ফিল্ম ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নে সহায়তা দিতে এবং বাংলাদেশে ভারতীয় চলচ্চিত্রের প্রসার করতে চায় বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির সভাপতি ফিরদাউসল হাসান।

এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘‘আমরা একটি পরিবেশ তৈরি করতে চাই যেখানে উভয়দেশ ব্যবসা করতে পারবে। এলক্ষ্যের একটি ধাপ হলো ২১ অক্টোবর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া প্রথম ভারত-বাংলা চলচ্চিত্র পুরস্কারের আয়োজন।’’

তিনি জানান, বাংলাদেশের মতো প্রতিবেশী দেশগুলোতে বাংলাসহ ভারতীয় চলচ্চিত্রগুলো অনেক জনপ্রিয়। কিন্তু এখানে এসব চলচ্চিত্র মুক্তি দেওয়ার যথাযথ নেটওয়ার্ক নেই।

১২ ক্যাটেগরিতে পুরস্কার দেওয়া হবে জানিয়ে হাসান আরও বলেন, কলকাতার একজন প্রযোজক ও একজন সাংবাদিকের পাশাপাশি চলচ্চিত্রকার গৌতম ঘোষ, অভিনেতা ও মন্ত্রী ব্রাত বসু ও অভিনেত্রী তনুশ্রী চক্রবর্তীর সমন্বয়ে একটি জুরি কমিটি পুরস্কারের জন্য ভারতীয় বাংলা চলচ্চিত্র মনোনয়ন করবে।

বাংলাদেশ অংশের জন্যও ১২ ক্যাটেগরি থাকবে। এতে পুরস্কারের জন্য প্রতিযোগিতা করা চলচ্চিত্রগুলো বাংলাদেশের নির্মাতা, সাংবাদিক ও সমালোচকদের একটি জুরি বিচার ও মূল্যায়ন করবে।

এছাড়া, ভারতীয় অংশ থেকে আট আঞ্চলিক ভাষা- তামিল, তেলেগু, মালায়ালাম, কান্নাডা, মারাঠি, ভোজপুরি, গুজরাটি ও হিন্দি চলচ্চিত্রের জন্যও পুরস্কার থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকা গৌতম ঘোষ জানিয়েছেন, উভয়দেশের চলচ্চিত্র যাতে অধিক সংখ্যক দর্শকের কাছে পৌঁছাতে পারে সে জন্য চলচ্চিত্র বাণিজ্যের সুবিধা এক জায়গা থেকে পেতে ‘সিঙ্গেল উইন্ডো’ ব্যবস্থা চালু করা যায়।

তিনি বলেন, ‘‘এক মঞ্চে ভারত ও বাংলাদেশের বাংলা চলচ্চিত্রকে সম্মান দেখাতে একটি পুরস্কার অনুষ্ঠানের প্রয়োজনীয়তা আমি অনুভব করেছি।’’

গৌতম ঘোষ ভারত-বাংলাদেশের যৌথ প্রযোজনায় মনের মানুষ (২০১০) ও শঙ্খচিল (২০১৬) পরিচালনা করেছেন।

ফিরদাউসল হাসান বলেন, দু’দেশেই সিঙ্গেল স্ক্রিন সিনেমা হল কমে যাচ্ছে এবং প্রযোজকদের সংস্থা এপরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন।

তিনি জানান, পশ্চিমবঙ্গে সিঙ্গেল স্ক্রিন ৭০০ থেকে কমে এখন ২৮০-২৯০টির বেশি নেই। আর বাংলাদেশে এই সংখ্যা ১২০০ থেকে কমে ৩০০ হয়েছে।

About

Popular Links