• শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০২:৫৫ দুপুর

একনজরে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৬ বিজয়ীরা

  • প্রকাশিত ১১:৫৮ সকাল জুলাই ৯, ২০১৮
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:৫৯ সকাল জুলাই ৯, ২০১৮
pm-film-award-11-1531067291272-1531115775786.jpg
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের ৪১তম আসরের পুরষ্কার বিজয়ীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী। ছবি- ফোকাস বাংলা

এবারের আসরে যৌথভাবে আজীবন সম্মাননা পান বাংলা চলচ্চিত্রের দুই উজ্জ্বল নক্ষত্র অভিনেত্রী ববিতা ও অভিনেতা ফারুক

রবিবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের ৪১তম এই আসরে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

২০১৬ সালে মুক্তি পাওয়া ছবিগুলোর মধ্য থেকে সেরা কাজের জন্য ২৫টি বিভাগে মোট ৩১জন বিজয়ীর হাতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের ক্রেস্ট, মেডেল ও চেক তুলে দেন প্র। এ সময় তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু ও তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমও উপস্থিত ছিলেন।

এবারের আসরে যৌথভাবে আজীবন সম্মাননা পান বাংলা চলচ্চিত্রের দুই উজ্জ্বল নক্ষত্র অভিনেত্রী ববিতা ও অভিনেতা ফারুক।

একনজরে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৬ বিজয়ীরা

আজীবন সম্মাননা: চলচ্চিত্রের দুই কিংবদন্তি ববিতা ও ফারুক (যৌথভাবে)।

শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র: অজ্ঞাতনামা, প্রযোজক ফরিদুর রেজা সাগর।

শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র: ঘ্রাণ, প্রযোজক এসএম কামরুল আহসান।

শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র: জন্মসাথী, প্রযোজক মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ও একাত্তর মিডিয়া লিমিটেড।

শ্রেষ্ঠ পরিচালক: অমিতাভ রেজা চৌধুরী, আয়নাবাজি।

শ্রেষ্ঠ অভিনেতা প্রধান চরিত্র: চঞ্চল চৌধুরী, আয়নাবাজি।

শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী প্রধান চরিত্র: তিশা, ছবি-অস্তিত্ব ও কুসুম শিকদার, ছবি-শঙ্খচিল (যৌথভাবে)।

শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব-অভিনেতা: আলীরাজ, ছবি-পুড়ে যায় মন ও ফজলুর রহমান বাবু, ছবি-মেয়েটি এখন কোথায় যাবে (যৌথভাবে)।

শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব-অভিনেত্রী: তানিয়া আহমেদ, কৃষ্ণপক্ষ।

শ্রেষ্ঠ খল-অভিনেতা: শহীদুজ্জামান সেলিম, অজ্ঞাতনামা।

শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী: আনুম রহমান খান সাঁঝবাতি, শঙ্খচিল।

শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক: ইমন সাহা, মেয়েটি এখন কোথায় যাবে।

শ্রেষ্ঠ গায়ক: ওয়াকিল আহমেদ, গান-অমৃত মেঘের বারি, ছবি-দর্পণ বিসর্জন।

শ্রেষ্ঠ গায়িকা: মেহের আফরোজ শাওন, গান-যদি মন কাঁদে, ছবি-কৃষ্ণপক্ষ।

শ্রেষ্ঠ গীতিকার: গাজী মাজহারুল আনোয়ার, গান-বিধিরে ও বিধি, ছবি-মেয়েটি এখন কোথায় যাবে।

শ্রেষ্ঠ সুরকার: ইমন সাহা, গান-বিধিরে ও বিধি, ছবি-মেয়েটি এখন কোথায় যাবে।

শ্রেষ্ঠ কাহিনিকার: তৌকীর আহমেদ, অজ্ঞাতনামা।

শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা: রুবাইয়াত হোসেন, আন্ডার কনস্ট্রাকশন।

শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার: অনম বিশ্বাস ও গাউসুল আলম, আয়নাবাজি।

শ্রেষ্ঠ সম্পাদক: ইকবাল আহসানুল কবির, আয়নাবাজি।

শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক: উত্তম গুহ, শঙ্খচিল।

শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক: রাশেদ জামান, আয়নাবাজি।

শ্রেষ্ঠ শব্দগ্রাহক: রিপন নাথ, আয়নাবাজি।

শ্রেষ্ঠ পোশাক ও সাজসজ্জা: সাত্তার, ছবি-নিয়তি ও ফারজানা সান, ছবি-আয়নাবাজি (যৌথভাবে)।

শ্রেষ্ঠ মেকাপম্যান: মানিক, আন্ডার কনস্ট্রাকশন।

উল্লেখ্য, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের একমাত্র রাষ্ট্রীয় ও সর্বোচ্চ সম্মাননা পুরষ্কার। ১৯৭৫ সাল থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে। ২০০৯ সাল থেকে প্রথম আজীবন সম্মাননা পুরস্কার চালু করা হয়।