• রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:২৪ রাত

৩০ শতাংশ কার্যক্ষম হৃদযন্ত্র নিয়েও লড়ে গেছেন আইয়ুব বাচ্চু

  • প্রকাশিত ০৩:০৭ বিকেল অক্টোবর ১৮, ২০১৮
এলআরবি
এলআরবি। ছবি: ইমতিয়াজ আলম বেগ ফটোগ্রাফি

‘সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে হৃদযন্ত্রের পাম্প ৭০ শতাংশ দরকার’

২০০৯ সালে ব্যান্ড কিংবদন্তি আইয়ুব বাচ্চুর হৃদযন্ত্রে রিং পরানো হয়েছিল। শুরু থেকেই রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন তিনি। ২০১২ এবং ২০১৫ সালেও গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন এই শিল্পী।

দুই সপ্তাহ আগেও হার্টের চেকআপ করান তিনি। তখনও সুস্থ ছিলেন বলে জানা গেছে। আজ (১৮ অক্টোবর) স্কয়ার হাসপাতালের চিকিৎসক মির্জা নাজিম উদ্দিন জানান, ‘হাসপাতালে আসার আগেই আইয়ুব বাচ্চুর মৃত্যু হয়েছে। যখন সকালে তার ড্রাইভার উনাকে নিয়ে আসেন, তখন আমরা মৃত পাই। আমাদের একটি বিশেষ টিম আছে, জরুরি ভিত্তিতে তাদের নিয়ে কাজ শুরু করি। আজ সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে আনুষ্ঠানিকভাবে আমরা তাকে মৃত ঘোষণা করি।’

এ সময় চিকিৎসক আরও জানান, ‘আইয়ুব বাচ্চু দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগে ভুগছিলেন। তার হৃদযন্ত্র ৩০ শতাংশ পাম্প করে। যেটা সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে ৭০ শতাংশ দরকার। এটা নিয়ে তাকে সবসময় চেকআপে থাকতে হতো।’

তিনি বলেন, “ড্রাইভার আইয়ুব বাচ্চুকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।” তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আইয়ুব বাচ্চুর মুখ থেকে ফেনা বের হচ্ছিল। এর অর্থ তার হার্টের কার্যকারিতা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়ে এই তরল পদার্থ বের হয়েছে। মানে হার্ট ফেল করেছে।”

মির্জা নাজিম উদ্দিন আরও জানান, ‘এর আগে ২০০৯ সালে তার হার্টে রিং পরানো হয়। আর ২০১২ সালে ফুসফুসে পানি জমার কারণে এই হাসপাতালেই চিকিৎসা নিতে হয়েছিল আইয়ুব বাচ্চুকে।’

পারিবারিক সূত্র জানায়, গত ১৬ অক্টোবর রাতে রংপুরে একটি কনসার্ট শেষ করে ১৭ অক্টোবর দুপুরে ঢাকায় ফিরেন আইয়ুব বাচ্চু। আজ (১৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বাসায় হার্ট অ্যাটাক করেন তিনি। তড়িঘড়ি তাকে স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটের দিকে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যান্ড এলআরবি’র দলনেতা আইয়ুব বাচ্চু ছিলেন একাধারে গায়ক, গিটারিস্ট, গীতিকার, সুরকার, সংগীত পরিচালক।