• মঙ্গলবার, জুলাই ১৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:২৪ রাত

রবিবার শিল্পী লাকী আখন্দের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী

  • প্রকাশিত ০৭:৩৯ রাত এপ্রিল ২০, ২০১৯
লাকী আখন্দ
শিল্পী লাকী আখন্দ। ফাইল ছবি।

২০১৭ সালের ২১ এপ্রিল দূরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে অসংখ্য কালজয়ী গানের এই শিল্পী ঢাকায় ইন্তেকাল করেন

রবিবার(২১ এপ্রিল) আধুনিক বাংলা গানের খ্যাতিমান শিল্পী লাকী আকন্দের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী। তিনি ছিলেন একাধারে গীতিকার, সুরস্কার ও কন্ঠশিল্পী।

২০১৭ সালের ২১ এপ্রিল দূরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে অসংখ্য কালজয়ী গানের এই শিল্পী ঢাকায় ইন্তেকাল করেন। তার মৃত্যুতে সঙ্গীতজগত হারায় এক অসামান্য শিল্পীকে। আজও তার চিরায়তধারার গানগুলো মানুষের মুখে মুখে ফেরে।

ছোটবেলা থেকেই গান শেখা শুরু করেন এই প্রতিভাধর শিল্পী। মাত্র চৌদ্ধ বছর বয়সে এইচএমভি’র সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে গান গাওয়া শুরু করেন। সেই সময় থেকেই সংগীতজগতে তিনি পরিচিতি লাভ করেন। ১৯৬৯ সালে আধুনিক বাংলা গান ক্যাটাগরিতে ‘ পাকিস্তান আর্ট কাউন্সিল’এর প্রথম পুরস্কার লাভ করেন এই মেধাবী শিল্পী। এর পর আর তাকে পেছনে তাকাতে হয়নি। একটার পর একটা প্রাণস্পর্শী গান গেয়ে নিজের অবস্থানকে উচ্চকিত করেন।

তার গানের প্রথম এ্যালবাম ‘লাকী আখন্দের গান’ নামে ১৯৮৪ সালে প্রকাশ পায়। তার অন্যান্য এলবামগুলোর মধ্যে রয়েছে, মা মনিয়া, নীল মনিহার, আমায় ডেকো না, সুমনা, নীলা, পলাতক আমি প্রভৃতি।

এছাড়াও লাকী আখন্দ অন্যান্য যেসব শিল্পীর গান রচনা ও সঙ্গীতায়োজন করেছেন তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, যেখানে সীমান্ত তোমার (কুমার বিশ্বজিৎ), কবিতা পড়ার প্রহর এসেছে (সামিনা চৌধুরী), আবার এলো যে সন্ধ্যা ( হ্যাপী আখন্দ), কে বাঁশি বাজায় রে (হ্যাপী আখন্দ)এবং বিতৃঞ্চা জীবনে আমার’, ‘কি করে বললে তুমি’ ‘লিখতে পারি না কোনও গান, ‘ভালোবেসে চলে যেও না’ প্রভৃতি।

২০১৫ সালে লাকী আকন্দের ফুসফুসের ক্যান্সার ধরা পড়ে। এরপর চলে অবিরাম চিকিৎসা । ২০১৭ সালে টানা আড়াইমাস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই ২০১৭ সালের ২১ এপ্রিল সন্ধ্যায় শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন কিংবদন্তি এই শিল্পী। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬১ বছর। লাকী আকন্দ ১৯৫৬ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন।