• মঙ্গলবার, আগস্ট ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:২৩ দুপুর

কাশ্মীর ইস্যুতে সমালোচনায় পরিবারের সদস্যদের হুমকি, টুইটার ছাড়লেন অনুরাগ

  • প্রকাশিত ১২:৪৭ দুপুর আগস্ট ১২, ২০১৯
অনুরাগ কাশ্যপ
অনুরাগ কাশ্যপ। ছবি: সংগৃহীত

জম্মু ও কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা বাতিলের সমালোচনা করে টুইটের পর অনুরাগ কাশ্যপের বাবা-মাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। এরপর শনিবার নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টটি ডিলিট করে দেন বলিউডের এই পরিচালক। 

সম্প্রতি জম্মু ও কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বাতিলে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে টুইটারে সরব হয়েছিলেন বলিউডের অন্যতম সেরা পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপ। টুইটে বিজেপি সরকারের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছিলেন তিনি। আর এরপরেই অনুরাগের পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন ধরণের হুমকি পেতে থাকেন। বাবা-মা ও মেয়ে হুমকি পাওয়ার পরে নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টটি ডিলিট করে দেন সামাজিক ও রাজনৈতিক বিভিন্ন ইস্যুতে সর্বদা সরব থাকা এই পরিচালক।

শনিবার (১১ আগস্ট) টুইটার অ্যাকাউন্টটি ডিলিট করার আগে তিনি দু'টি টুইট করেন।

সেখানে লেখেন, "যখন আপনার অভিভাবকেরা হুমকি ফোন পেতে থাকেন এবং আপনার মেয়েকে অনলাইনে হুমকি দেওয়া হয়, তখন বুঝতে হবে কেউ কথা বলতে চায় না। কোনও যুক্তি বা যুক্তিগ্রাহ্য মনের অস্তিত্ব এখানে নেই। গুন্ডারাই রাজত্ব করবে এবং গুন্ডামিই হবে জীবনযাপনের নতুন ধরন। নতুন এই ভারতের জন্য সবাইকে অভিনন্দন এবং আশা করি আপনারা সকলেই বেঁচে থাকবেন।"

অপর টুইটে লেখেন, "আপনাদের জন্য অকুণ্ঠ আনন্দ ও সাফল্য কামনা করি। এটাই এখানে আমার শেষ বার্তা কারণ আমি টুইটার ছেড়ে যাচ্ছি। যখন নির্ভয়ে নিজের মত জানাতে পারব না, তখন কথা একবারে না বলাই ভালো। বিদায়।"

সম্প্রতি জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের জেরে অনুরাগ টুইট করেন, "ভয়ের ব্যাপার কি জানেন, একজন মানুষ মনে করছেন যে একমাত্র তিনিই ১২০ কোটি মানুষের জন্য সঠিক জিনিসটি জানেন এবং তা প্রয়োগ করার ক্ষমতাও ধরেন।" 

এরপর থেকেই বিভিন্ন হুমকি পেতে থাকে তার পরিবারে সদস্যরা।

এর আগেও বিজেপি সরকারের সমালোচনার জেরে হুমকি পেয়েছিল অনুরাগের পরিবার। মে মাসে লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে নিজের নামের আগে 'চৌকিদার' শব্দ জোড়ার কারণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সমালোচনা করেন অনুরাগ কাশ্যপ। এরপর তার মেয়েকে অনলাইনে শ্লীলতাহানির হুমকি দেওয়া হয়। বিষয়টি জানিয়ে টুইটারের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেছিলেন বলিউডের এই পরিচালক।