• রবিবার, সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩০ সকাল

গান গেয়ে ভাইরাল রানুকে বাড়ি উপহার দিলেন সালমান!

  • প্রকাশিত ০২:০৩ দুপুর আগস্ট ৩০, ২০১৯
রানু সালমান
ছবি: সংগৃহীত

দুই মিনিটের একটি ভিডিওতে ১৯৭২ সালের 'শোর' ছবি থেকে লতা মঙ্গেশকারের জনপ্রিয় গানটি তার গলায় শুনেছেন চার লাখেরও বেশি মানুষ

ভারতের কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পী লতা মঙ্গেশকরের ‘ইক প্যায়ার কা নগমা হ্যায়’ গান গেয়ে রাতারাতি সেলিব্রেটি বনে যাওয়া রানু মন্ডলকে নাকি প্রায় ৫৫ লাখ রুপি দামের বিশাল এক বাড়ি উপহার দিয়েছেন সালমান খান!

বলিউডের ‘ভাইজান’ সালমান খান বরাবরই তার সামাজিক কর্মকাণ্ডের জন্য আলোচিত। প্রায়ই তিনি মানুষকে নানাভাবে সাহায্য করে থাকেন। তবে এবার এত দামি উপহার পেয়ে কপাল ফিরল রাণাঘাটের প্ল্যাটফর্মবাসিনী রানুর। খবর এনডিটিভির।

লতার ‘ইক প্যায়ার কা নগমা হ্যায়’ গান গেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হন বৃদ্ধা রানু, যিনি একসময় স্বামী, মেয়ে, ঘর-সম্পত্তি সব হারিয়ে রেল স্টেশনে পড়ে আপন মনে গাই গাইতেন। ভারতের এক রিয়েলিটি শোতে গিয়ে নজর কাড়েন বিচারক হিমেশ রেশমিয়ার।

সম্প্রতি ‘হ্যাপি হার্ডি অ্যান্ড হীর’ ছবির ‘তেরি মেরি, তেরি মেরি কাহানি’ গানে খোদ বলিউডের সঙ্গীত পরিচালক হিমেশের সঙ্গে প্লে-ব্যাকও করেন রানু। রেকর্ডিংয়ের সেই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। সুরেলা কণ্ঠের কারণে এখন একের পর এক অফার পাচ্ছেন রানু মন্ডল।

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে রানু মন্ডল বলিউড অভিনেতা সালমন খানের নজরে পড়লেন কী করে? সাক্ষাৎটাই বা হলো কখন? ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ওই রিয়েলিটি শোতেই অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত ছিলেন ভাইজান। হিমেশের মতো তাকেও টেনেছে রানুর মুগ্ধ করা কণ্ঠস্বর। সালমান তো বাবা সেলিম খানের মতো বরাবরই প্রতিভার যোগ্য স্বীকৃতি দেন।

এদিকে নেট দুনিয়ার জাদুতে এবং মেকওভারে এখন পুরানো রানুকে চেনা দায়। মাথার এলোমেলো রুক্ষ সাদা-কালো চুল রঙিন, পরিপাটি। পরনে সাত ময়লা ছাপার শাড়ির জায়গায় রঙিন সিল্কের শাড়ি। ঠোঁটে লিপস্টিক। লতা মঙ্গেশকরের একটি গানের কয়েক কলি এভাবেই পাল্টে দিয়েছে রানাঘাটের রাণু মণ্ডলকে। দুই মিনিটের একটি ভিডিওতে ১৯৭২ সালের 'শোর' ছবি থেকে লতা মঙ্গেশকারের জনপ্রিয় গানটি তার গলায় শুনেছেন চার লাখেরও বেশি মানুষ। সেই গানের জোরেই রানু আজ ঘরে ঘরে জনপ্রিয়।

ভিডিওটি 'বারপেটা টাউন; দ্য প্লেস অব পিস' নামের একটি ফেসবুক পেজে শেয়ার করা হয়েছিল। ওই পেজের মালিক কৃষ্ণন দাস যুবু জানান, রানাঘাট রেল স্টেশনে ভিডিওটির শ্যুটিং করা হয়েছিল। রানাঘাটেরই এক বাসিন্দা তপন ভিডিওটি শ্যুট করেন এবং তার মোবাইলে পাঠান।