• সোমবার, ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:৪৯ দুপুর

যৌন হয়রানির অভিজ্ঞতা জানালেন জেনিফার লোপেজ

  • প্রকাশিত ০৩:২৮ বিকেল নভেম্বর ১৯, ২০১৯
জেনিফার লোপেজ
ইতালির মিলান শহরে একটি ফ্যাশন শো'তে মার্কিন সংগীতশিল্পী জেনিফার লোপেজ।এএফপি

যুক্তরাষ্ট্রের ব্রুনক্স শহরে বেড়ে ওঠা জেনিফার লোপেজ শৈশবকাল থেকেই প্রতিবাদী ছিলেন

ফ্যাশন, ব্যক্তিত্ব ও রুচিতে অতুলনীয় এবং হলিউড তথা বিশ্বের সমস্ত সৌন্দর্য্য পিপাসুদের ড্রিম গার্ল জেনিফার লোপেজ। বহুপ্রতিভাধারিণী এই তারকা একাধারে গায়িকা, অভিনেত্রী, নৃত্যশিল্পী, মডেল, প্রযোজক এবং উদ্যোক্তা।

সেই জেনিফার লোপেজও সম্প্রতি নিজের যৌন হয়রানির অভিজ্ঞতার কথা জানালেন। চারদিকে যখন হ্যাশট্যাগ মি টু নিয়ে তোলপাড় হচ্ছে তখন,  "হাসলার্স" খ্যাত পঞ্চাশ বছর বয়সী এ হলিউড সুন্দরী জানান, ক্যারিয়ারের শুরুতে তিনিও  এক পরিচালকের যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন। 

তবে হ্যাশট্যাগ মি টু আন্দোলনের অংশ হিসেবে নয়, বিনোদন বিষয়ক এক গোলটেবিল বৈঠকে লোপেজ বলেন, "অনেক হয়েছে, আর নয়।  এখন আমরা ঘুরে দাঁড়িয়েছি।" তিনি একটু স্মরণ করে বলেন, "সেটা ছিল একটা অস্বস্তিকর পরিস্থিতি। পরিচালক আমার জামা খুলতে বলেন। খুব সম্ভবত তিনি আমার বুক দেখতে চেয়েছিলেন।" ঘটনাটি ঘটেছিল অফসেটে। 

লোপেজ আরও বলেন, "আমি সোজা না বলে দিয়েছিলাম। আমি আমার নিজের জন্য দাঁড়িয়েছিলাম। তখন সেখানে একজন কস্টিউম ডিজাইনার উপস্থিত ছিলেন। তিনিও একজন মহিলা ছিলেন।"

সত্তরের দশকে যুক্তরাষ্ট্রের ব্রুনক্স শহরে বেড়ে ওঠা জেনিফার লোপেজ শৈশবকাল থেকেই প্রতিবাদী ছিলেন। তাই যখন পরিচালক এ ধরনের অরুচিকর প্রস্তাব দেন তখন লোপেজ সটান না করে দিয়ে বলেন, "না, আমি তোমাকে আমার শরীর দেখাবো না। যদি দেখতে চাও, সেটে দেখো।" 

জেনিফার লোপেজ মনে করেন, যদি সেদিন তিনি পরিচালকের কথায় সায় দিতেন তবে হয়ত লোকটি পেয়ে বসতো। এ ধরনের ঘৃণ্য কাজ বারবার করার সাহস দেখাত। লোপেজের ভাষায়, "আমি সেদিন কিছুটা হলেও বাধা দিতে পেরেছিলাম। তাই সেদিন সে তার ভুল বুঝতে পেরেছিল এবং পরবর্তীতে অনুশোচনাও করেছিল।" 

তবে জেনিফার লোপেজ সেই পরিচালক কিংবা অনুষ্ঠান সম্পর্কে কিছুই বলেননি।

বিনোদন জগতে শিল্পীদের যৌন হয়রানির ঘটনা নতুন কিছু নয়। সর্বপ্রথম হলিউডের শিল্পীরা কর্মক্ষেত্রে তাদের যৌন হয়রানি নিয়ে মুখ খোলেন। ২০১৭ সালের অক্টোবরে হলিউডের বিখ্যাত প্রযোজক হার্ভি ওয়াইনস্টিনের বিরুদ্ধে প্রথম যৌন হয়রানির অভিযোগ আনেন অভিনেত্রী আ্যালিসা মিলানো। আর তখন থেকেই হ্যাশট্যাগ মি টু নিয়ে হলিউড-বলিউড এমনকি টালিউড-ডালিউডের সংগীত ও চলচ্চিত্র জগতেও হইচই পড়ে যায়।