• বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ০২, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫১ রাত

দীপিকা: এটা কখনই ভারতের ভিত্তি নয়

  • প্রকাশিত ১০:০১ সকাল জানুয়ারী ৯, ২০২০
দীপিকা
মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) দিল্লির জেএনইউ গিয়ে সিএএ’র প্রতিবাদে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ান দীপিকা পাড়ুকোন সংগৃহীত

‘আমার ভয় করছে, দুঃখও হচ্ছে। এটা আমাদের দেশের ভিত্তি নয়। আরও খারাপ হলো কোনও পদক্ষেপও নেওয়া হচ্ছে না’

জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে মঙ্গলবার ভারতে সদ্য পাস হওয়া সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন-সিএএ’র প্রতিবাদে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন বলিউড তারকা দীপিকা পাড়ুকোন। তারপরেই টুইটারে দীপিকাকে বয়কটের ডাক দেন দেশটির ক্ষমতাসীনদল বিজেপি’র একাধিক নেতা। দীপিকার নতুন ছবি “ছপাক”-এর টিকিট বাতিলের হিড়িক পড়ে যায়। এক প্রতিবেদনে এখবর জানায় আনন্দবাজার।

বুধবার (৮ জানুয়ারি) পুরো ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে একটি চ্যানেলে দীপিকাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘‘আমার যা বলার তা দু’বছর আগেই বলেছিলাম, যখন ‘পদ্মাবত’ মুক্তি পেয়েছিল। আজ যা দেখছি, তাতে আমার কষ্ট হচ্ছে। যে-কেউ যা খুশি বলে পার পেয়ে যাবে— আমি আশা করব, এটাই স্বাভাবিক হয়ে দাঁড়াবে না।’’

উল্লেখ্য, পদ্মাবতের সময়ে দীপিকার নাক কেটে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিল একটি সংগঠন। 

দীপিকা বলেন, ‘‘আমার ভয় করছে। দুঃখও হচ্ছে। এটা আমাদের দেশের ভিত্তি নয়। যা হচ্ছে, তাতে আমার প্রচণ্ড রাগ হচ্ছে। আরও খারাপ হল, কোনও পদক্ষেপও নেওয়া হচ্ছে না।’’

এদিকে, বিজেপি শিবিরের আক্রমণ অবশ্য অব্যাহত। উগ্র সমর্থকদের পাশাপাশি দীপিকার বিরুদ্ধে নেমে পড়েছেন খোদ বিজেপি’র শীর্ষ নেতারাও। যেমন বিজেপির সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত নেতা বি এল সন্তোষ বৃহস্পতিবার সকালে টুইটারে দীপিকার ছবি বয়কটের ডাককে সমর্থন দিয়েছেন। তার বক্তব্য, “বলিউড তারকাদের উচিত, নিজেদের ছবির মাধ্যমে যুবসমাজকে ইতিবাচক বার্তা দেওয়া। উল্টে তাকে (দীপিকাকে) ‘দেশবিরোধীদের’ সঙ্গে দেখা যাচ্ছে, যা অগ্রহণযোগ্য।”

অন্যদিকে, বিজেপি’র কর্মকাণ্ড দেখে কংগ্রেসের মুখপাত্র পবন খেরা বলেন, “দু’দিন আগেও বিজেপি নেতা শিবরাজ সিংহ চৌহান দীপিকার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছিলেন, কারণ অ্যাসিড হামলায় আক্রান্তের সঙ্গে দীপিকা নিজের জন্মদিন পালন করেছিলেন। আর বুধবার জেএনইউ’এ যাওয়ার পরই দীপিকা রাতারাতি ‘রাষ্ট্রবিরোধী’ হয়ে গেলেন কীকরে!”