Sunday, May 19, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

এবার রুবাইয়াত হোসেন নির্মাণ করলেন ‘মেড ইন বাংলাদেশ’

মেহেরজান’ ও আন্ডার কনস্ট্রাকশন’ খ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা রুবাইয়াত হোসেনের নতুন চমক মেড ইন বাংলাদেশ’। যার শুটিং এরমধ্যেই শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন এই নির্মাতা।

আপডেট : ০৩ জুন ২০১৮, ১১:১৬ পিএম

১৭ এপ্রিল ছবিটির কাজ শুরু করে শেষ হয়েছে গত ১ জুন। একটানা ৩৬ দিন শুটিং হয়েছে ঢাকা ও গাজীপুরের বিভিন্ন লোকেশনে।

এদিকে ২০০৬ সালে মুক্তি পায় মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর আলোচিত ছবি মেড ইন বাংলাদেশ’। তবে সেখানে ‌মেড’ [Mad_e] শব্দটিকে পাগল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। আর এবার রুবাইয়াত হোসেন মেড’ [Made] শব্দটিকে ব্যবহার করছেন তৈরি’ হিসেবে। এত অল্প সময়ের ব্যবধানে একই নামের দুটি আলাদা ছবি নির্মাণের ঘটনা সচরাচর ঘটে না।

এদিকে নতুন মেড ইন বাংলাদেশ’ সম্পর্কে নির্মাতা জানান, বাংলাদেশে নারীদের ক্ষমতায়নে ও আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনে পোশাকশিল্পের যে ভূমিকা- মূলত সেটিই উঠে আসবে এই ছবির দৃশ্যে। সঙ্গে থাকবে দৃঢ়চেতা পোশাককর্মীর সংগ্রাম ও সাফল্যের গল্প।

রুবাইয়াত হোসেন বলেন, বর্তমান ঢাকা শহরের পটভূমিতে রচিত এই কাহিনির মূল চরিত্রের নাম রেখেছি শিমু। যাকে ঘিরেই আবর্তিত হবে আমাদের সমাজ জীবনের বাস্তবধর্মী একটি বিশেষ চিত্র।’

ফ্রান্স, ডেনমার্ক, পর্তুগাল ও বাংলাদেশের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত এই চলচ্চিত্রের মূল অর্থায়ন এসেছে ফ্রান্স সরকারের সিএনসি ফান্ড, নরওয়ে সরকার প্রদত্ত সোরফন্ড প্লাস, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন প্রদত্ত ইউরিমাজ ফান্ড ও ডেনমার্কের ড্যানিশ ফিল্ম ইন্সটিটিউট ফান্ড থেকে। এছাড়াও গত বছর লোকার্নো চলচ্চিত্র উৎসবের ওপেন ডোরস-এ অংশ নিয়ে এই ছবির চিত্রনাট্যের জন্য জিতে নিয়েছে আর্টে ইন্টারন্যাশনালের নগদ পুরস্কার।

অনুদান ছাড়াও ছবিটির পরিবেশক ও আন্তর্জাতিক বিক্রয় প্রতিনিধি ফ্রান্সের শীর্ষস্থানীয় পরিবেশক পিরামিড ফিল্মস অর্থ বিনিয়োগ করেছে এতে।

নির্মাতা জানান, ২০১৬ সালের লোকার্নো চলচ্চিত্র উৎসবে ওপেন ডোরস ল্যাবে অংশগ্রহণের মধ্যে দিয়ে শুরু হয় মেড ইন বাংলাদেশ-এর স্ক্রিপ্ট ডেভেলপমেন্টের কাজ। এরপর ২০১৭ সালে বার্লিন চলচ্চিত্র উৎসবের স্ক্রিপ্ট স্টেশন, হংকং ফিল্ম ফাইনান্সিং ফোরাম ও লোকার্নো ওপেন ডোরস হাবে অংশগ্রহণ করে চিত্রনাট্যের কাজ চূড়ান্ত করার পাশাপাশি চলে অর্থায়নের কাজ।

মেড ইন বাংলাদেশ সিনেমার মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন রিকিতা নন্দিনী শিমু, দীপান্বিতা মার্টিন, মায়াবী মায়া, নভেরা রহমান ও পারভীন পারু। আরও রয়েছেন মুস্তাফা মনোয়ার, শতাব্দী ওয়াদুদ, জয়রাজ, মোমেনা চৌধুরী, ওয়াহিদা মল্লিক জলি ও সামিনা লুৎফা। এছাড়া দুটি অতিথি চরিত্রে অভিনয় করেছেন মিতা চৌধুরী ও ভারতের শাহানা গোস্বামী।

ছবিটির মূল কুশলীবদের মধ্যে রয়েছে চিত্রগ্রহণে ফরাসি চিত্রগ্রাহক সাবিন ল্যাঞ্চেলিন ও বারাকাত হোসেন পলাশ, শব্দগ্রহণে এলিশা আলবার্ট, শিল্প নির্দেশনায় ভারতের জোনাকি ভট্টাচার্য ও গ্যাফার হিসাবে পাওলো ডি সিলভা। সহকারী পরিচালক হিসাবে কাজ করেছেন রাজিব রাফি ও মাহদি হাসান এবং এক্সিকিউটিভ প্রোডিউসার আদনান ইমতিয়াজ আহমেদ ও অং রাখাইন।

ছবিটির মূল প্রযোজক ফ্রঁসোয়া দ্যা আক্তেমেয়ার (ফ্রান্স) ও আশিক মোস্তফা (বাংলাদেশ) এবং যৌথ প্রযোজক হিসাবে আছেন পিটার হায়েল্ডাল (ডেনমার্ক) ও পেদ্রো বোর্হেস (পর্তুগাল)।    

বাংলাদেশের খনা টকিজ ও ফ্রান্সের লা ফিল্মস দি এপ্রেস-মিডি-এর ব্যানারে নির্মিত এ ছবিটি মুক্তি পাবে ২০১৯ সালে।

About

Popular Links