Monday, May 20, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

জায়েদ খান: আমি আইনি ব্যবস্থা নেব

জায়েদ খান বলেন, ‘এখানে আপিল বোর্ডের কোনো মূল্য নেই। তারা এরকম কোনো সিদ্ধান্ত দিতে পারে না৷ এটা আইন বহির্ভূত’

আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৯:৪৫ পিএম

টাকা দিয়ে ভোট কেনার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সদ্য অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সম্পাদক জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিল ঘোষণা করে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে অভিনেত্রী নিপুণকে।

শনিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় এফডিসিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান, চলচ্চিত্র নির্মাতা সোহানুর রহমান সোহান। তবে এমন সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না জায়েদ খান। তিনি আপিল বোর্ডের ঘোষণাকে আইন বহির্ভূত বলে দাবি করেছেন।

তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় জায়েদ খান সাংবাদিকদের বলেন, “এখানে আপিল বোর্ডের কোনো মূল্য নেই। তারা এরকম কোনো সিদ্ধান্ত দিতে পারে না৷ এটা আইন বহির্ভূত, পৃথিবীতে এমন নজিরবিহীন ঘটনা নেই। প্রজ্ঞাপনের পর আপিল বোর্ড কীভাবে এ রায় ঘোষণা করে? আমি আইনি ব্যবস্থা নেব।”

এ বিষয়ে আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান সোহানুর রহমান সোহান বলেন, “দু’জন ভোটার লিখিতভাবে জানিয়েছেন যে, সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী জায়েদ খান ও সদস্য পদপ্রার্থী চুন্নু তাদেরকে ভোট দেওয়ার জন্য নগদ অর্থ দিয়েছিলেন। এছাড়া আরও কয়েকজন ভোটার তাদের দু’জনের অর্থ প্রদানের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। এবং কিছু ভিডিও ফুটেজে প্রতীয়মান হয়েছে যে, এই অর্থ প্রদানের অভিযোগটি সত্য। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় জায়েদ খান ও চুন্নুর প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। জায়েদের পরিবর্তে নিপুণ সাধারণ সম্পাদক এবং চুন্নুর পরিবর্তে কার্যকরী পরিষদের সদস্য পদে জয় পেয়েছেন নাদির খান।”

শনিবার বিকেলে এ বিষয়ে বৈঠক ডাকে আপিল বোর্ড। এতে নিপুণ অংশ নিলেও জায়েদ ছিলেন অনুপস্থিত।


আরও পড়ুন: জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিল, নিপুণকে বিজয়ী ঘোষণা


প্রসঙ্গত, গত ২৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল শিল্পী সমিতির নির্বাচন। সেখানে সাধারণ সম্পাদক পদে জয়লাভ করেন জায়েদ খান। এটা ছিল তার টানা তৃতীয়বারের জয়। তবে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নায়িকা নিপুণ অভিযোগ তোলেন, নির্বাচনে দুর্নীতি করেছেন জায়েদ। টাকা দিয়ে ভোটও নাকি কিনেছেন। এসব অভিযোগ নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলনও করেছিলেন নিপুণ। লিখিত অভিযোগ জানান নির্বাচনের আপিল বোর্ডের কাছেও। আপিল বোর্ড বিষয়টি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়কে জানায়। এরপরই বোর্ডকে বিষয়টির সুরাহা করার দায়িত্ব দেয় মন্ত্রণালয়।

About

Popular Links