Thursday, May 23, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

হুমায়ুন ফরীদিকে হারাবার ১০ বছর

এইদিনে অনন্তলোকে পাড়ি জমান মঞ্চ ও চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি এ শিল্পী

আপডেট : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১২:৫২ পিএম

আর একদিন পরই শুরু হচ্ছে ঋতুর রাজা বসন্ত। বসন্তকে স্বাগত জানাতে প্রকৃতি সেজেছে বিপুল আনন্দে। তবে চলচ্চিত্র কিংবা বিনোদনপ্রেমীদের মনে বসন্তের ছোঁয়া যেন অনেকটা ফিকে হয়ে আসে। কেননা, এইদিনে অনন্তলোকে পাড়ি জমান মঞ্চ কিংবা দেশীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম পুরাধার হুমায়ুন ফরীদি।

২০১২ সালের এ দিনে মঞ্চ, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র কাঁপানো কিংবদন্তী এ অভিনেতার মৃত্যু হয়।

হুমায়ূন ফরীদি ১৯৫২ সালের ২৯ মে গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার তুমুলিয়া ইউনিয়নের চুয়ারিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম এটিএম নূরুল ইসলাম ও মা বেগম ফরিদা ইসলাম। চার ভাই-বোনের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। তিনি ১৯৬৫ সালে পিতার চাকুরীর সুবাদে মাদারীপুরের ইউনাইটেড ইসলামিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। এ সময় মাদারীপুর থেকেই নাট্যজগতে প্রবেশ করেন। 

উচ্চ মাধ্যমিক শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জৈব-রসায়ন বিভাগে ভর্তি হন তিনি। যদিও ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায় এবং শিক্ষা অসমাপ্ত রেখেই সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন মুক্তিযুদ্ধে। যুদ্ধের পর ফিরে এসে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে অর্থনীতি বিষয়ে স্নাতক (সম্মান), স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন। ছাত্রাবস্থাতেই তিনি ঢাকা থিয়েটারের সদস্যপদ লাভ করেন।

১৯৮৪ সালে তানভীর মোকাম্মেলের হুলিয়া স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন তিনি। পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে তার অভিষেক ঘটে শেখ নিয়ামত আলীর দহন (১৯৮৫) চলচ্চিত্র দিয়ে। এই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে বাচসাস পুরস্কার অর্জন করেন। তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত বিখ্যাত সংশপ্তক নাটকে “কানকাটা রমজান” চরিত্রে অভিনয়ের জন্য বিখ্যাত হয়েছিলেন।

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, একুশে পদকসহ বিভিন্ন পুরস্কার পাওয়া ফরীদিকে হারানোর ক্ষত কি আদৌ পূরণ হবার?

About

Popular Links