Saturday, May 18, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

নুসরাত ফারিয়া: সিঙ্গেলদের জন্য আমি আছি

‘অপারেশন সুন্দরবন’ চলচ্চিত্রের প্রচারণা উপলক্ষে সম্প্রতি আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে (এআইইউবি) গিয়েছিল সিনেমাটির টিম

আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৯:৪১ পিএম

মুক্তির দিনক্ষণ নির্ধারিত হওয়ার পর থেকেই পুরোদমে চলছে “অপারেশন সুন্দরবন” সিনেমার প্রচারণার কাজ। এরই মধ্যে সেন্সরবোর্ড থেকেও ছাড়পত্র পেয়েছে চলচ্চিত্রটি। সিনেমাটির প্রচারণা উপলক্ষে সম্প্রতি ঢাকার আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে (এআইইউবি) গিয়েছিল “অপারেশন সুন্দরবন” টিম।

“অপারেশন সুন্দরবন” টিমের অংশ হিসেবে এআইইউবি-তে গিয়েছিলেন সিনেমাটিতে অভিনয় করা নুসরাত ফারিয়া। একসময়ে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী থাকলেও পরবর্তীতে ব্যক্তিগত কারণে বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে দেন এই অভিনেত্রী। নিজের সিনেমার প্রচারণার অংশ হিসেবে আবারও ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে গিয়ে নুসরাত ফারিয়া বলেন, সিঙ্গেলদের জন্য আমি আছি।

মূলত “অপারেশন সুন্দরবন”-এর প্রচারণা উপলক্ষে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে গিয়ে চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করা শিল্পী ও সংশ্লিষ্টরা সেখানকার শিক্ষার্থীদের সিনেমাটি দেখার জন্য আহ্বান জানান। তখন এক শিক্ষার্থী নুসরাত ফারিয়ার উদ্দেশে বলেন, আমি তো সিঙ্গেল। কিন্তু আপনি বলছেন গার্লফ্রেন্ড নিয়ে সিনেমা দেখতে যেতে। আমার তো গার্লফ্রেন্ড নেই।

তখন জবাবে নুসরাত ফারিয়া বলেন, “আমি তোমার সামনে দাঁড়িয়ে আছি, তুমি আমার সঙ্গে যাবে। শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ৩টার সময়ে আমরা একসঙ্গে সিনেমা দেখব। ঠিক আছে? আর এই শুক্রবার চলে গেলে পরের শুক্রবারে যারা সিঙ্গেল আছো, তাদের জন্যও আমি আছি।”

“অপারেশন সুন্দরবন” সিনেমার সিংহভাগ দৃশ্যধারণের কাজই হয়েছে রয়েল বেঙ্গল টাইগারসমৃদ্ধ সুন্দরবনে। র‌্যাব ওয়েলফেয়ার কো অপারেটিভ সোসাইটি প্রযোজিত সিনেমাটির রানটাইম ২ ঘণ্টা ২১ মিনিট ৩৯ সেকেন্ড।

বিশ্ব ঐতিহ্য ও সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বনভূমি সুন্দরবনকে জলদস্যু ও বনদস্যুমুক্ত করার প্রেক্ষাপট নিয়ে নির্মিত এই সিনেমায় অভিনয় করেছেন রিয়াজ, নুসরাত ফারিয়া, সিয়াম আহমেদ, জিয়াউল রোশান, মনোজ প্রমাণিক, শতাব্দী ওয়াদুদ, তাসকিন রহমান প্রমুখ। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর দেশব্যাপী মুক্তি পাবে চলচ্চিত্রটি।

এই সিনেমায় কাজ করার অভিজ্ঞতা জানিয়ে নুসরাত ফারিয়া বলেন, “মনে পড়ে, এই ছবির শুটিংয়ে যখন আমরা গভীর সুন্দরবনে ইউনিট ফেলি, তখন কোনো নেটওয়ার্ক ছিলো না ফোনে। টানা ৩৫ দিন আমরা বিচ্ছিন্ন ছিলাম দুনিয়া থেকে। এই ৩৫ দিন আমি আমার বাবা-মায়ের সঙ্গেও কথা বলতে পারিনি। তখন আমাদের ইউনিটটাই ছিলো আমার ফ্যামিলি। আমরা এতোটাই আপন হয়ে গেছি, সেই সম্পর্কের টান এখনও আমরা ফিল করি। এই মুভিটা এবং আমার ক্যারেক্টারটা সারাজীবন আমার সাথে থেকে যাবে।”

About

Popular Links