Sunday, June 16, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

প্রার্থিতা ফিরে পেয়ে হিরো আলম: হাইকোর্ট থেকে সুষ্ঠু বিচার পেয়েছি

মানুষের জন্য কাজ করার উদ্দেশ্যেই নির্বাচনে অংশ নেবেন বলেও জানান আলোচিত ইউটিউবার

আপডেট : ১৭ জানুয়ারি ২০২৩, ০৬:৪৪ পিএম

বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) ও ৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পর আলোচিত ইউটিউবার আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলম বলেছেন, তিনি উচ্চ আদালতে সুষ্ঠু বিচার পেয়েছেন। সেই সঙ্গে মানুষের জন্য কাজ করার উদ্দেশ্যেই নির্বাচনে অংশ নেবেন বলেও জানান তিনি।

এক প্রতিবেদনে এ কথা জানিয়েছে দৈনিক প্রথম আলোর অনলাইন সংস্করণ।

মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি) এ সংক্রান্ত রিটের শুনানিতে বগুড়ার সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার (জেলা প্রশাসক) প্রতি ওই দুই আসনে হিরো আলমকে কে মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও প্রতীক বরাদ্দ দিতে আদেশ দেন বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবীরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ।

হিরো আলমের আইনজীবী ইয়ারুল ইসলাম জানান, হিরো আলমের প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। এর ফলে হিরো আলম তার প্রার্থিতা ফিরে পেলেন। একইসঙ্গে হিরো আলমের প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। মামলার বিবাদীদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

উচ্চ আদালতে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পর হিরো আলম বলেন, আমাকে হয়রানি করা হয়েছে। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। গতবারও আমি হাইকোর্টে রিট করে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছিলাম। হাইকোর্ট থেকে সুষ্ঠু বিচার পেয়েছি। মানুষের পাশে থাকতে চাই। জনগণের সেবা করতে ভালো লাগে বলে নির্বাচন করছি।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২ অনুযায়ী, স্বতন্ত্র প্রার্থীর ক্ষেত্রে নির্বাচনী এলাকার ন্যুনতম ১% ভোটারের সমর্থনসূচক স্বাক্ষরের একটি তালিকা দাখিল করতে হয়। সেই ১% ভোটারের সমর্থনসূচক সই না থাকার কারণ দেখিয়ে হিরো আলমের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম।

প্রার্থিতা ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করেন হিরো আলম। পরে তার করা আপিল আবেদন খারিজ করে ইসি। এরপর তিনি আইনজীবীর মাধ্যমে হাইকোর্টে রিট করেন।

উল্লেখ্য, বিএনপির এমপিদের পদত্যাগে শূন্য সংসদের পাঁচটি আসনের উপনির্বাচন হবে ১ ফেব্রুয়ারি। এর মধ্যে বগুড়ার দুটি আসন রয়েছে। এ দুই আসনের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেন হিরো আলম।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, হিরো আলম আগে ডিশ সংযোগের ব্যবসা ও সিডি বিক্রি করতেন। শৈশবে চানাচুরও বিক্রি করেছেন। ২০০৮ সাল থেকে তিনি মডেলিং শুরু করেন। এরপর নিজের অভিনয় ও মিউজিক ভিডিও গান রেকর্ড করে ডিশে প্রচার করতে থাকেন। এতে তার জনপ্রিয়তা সৃষ্টি হওয়ায় বগুড়া সদরের এরুলিয়া ইউনিয়নে পর পর দুবার সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন। পরে ২০১৬ সালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পেজ খুলে অভিনয় ও মিউজিক ভিডিও নির্মাণ শুরু করেন। পরে ইউটিউবে এসব আপলোড করে আলোচনায় আসেন।

সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করা হিরো আলম একাদশ সংসদ নির্বাচনেও বগুড়া-৪ আসনের নির্বাচনে জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন। সিংহ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৬৩৮ ভোট পান। নির্বাচনে তিনি জামানত হারান।

About

Popular Links