Friday, May 24, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

প্রথম এশিয়ান হিসেবে অস্কারের সেরা অভিনেত্রী মিশেল ইও

চার দশকের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে এবারই প্রথম অস্কারে মনোনয়ন পেয়েছিলেন এ মালয়েশিয়ান অভিনেত্রী

আপডেট : ১৩ মার্চ ২০২৩, ০১:৫৪ পিএম

বিশ্ব চলচ্চিত্রের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার অস্কারের ৯৫ বছরের ইতিহাসে কোনো এশিয়ান নারী সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জেতেননি। তবে মিশেল ইওর হাত ধরে অবশেষে সেই ধারায় ছেদ পড়ল। অস্কারের ৯৫তম আসরে সেরা অভিনেত্রী বিভাগে পুরস্কার পেয়েছেন ৬০ বছর বয়সী এ মালয়েশিয়ান অভিনেত্রী।

বাংলাদেশ সময় সোমবার (১৩ মার্চ) সকালে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের ডলবি থিয়েটারে জমকালো আয়োজনে অস্কারের ৯৫তম আসরের পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। সেখানে এভরিথিং “এভরিহোয়্যার অল অ্যাট ওয়ান্স” সিনেমায় অভিনয়ের জন্য কেট ব্লানচেট, আনা ডে আরমাস ও মিশেল উইলিয়ামসকে পেছনে ফেলে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার বগলদাবা করেছেন মিশেল ইও।

অস্কার জয়ের পর অনুভূতি জানিয়ে মিশেল ইও বলেন, “আমার মতো দেখতে কিশোর-কিশোরীদের জন্য এটি (পুরস্কার) আশা ও সম্ভাবনার পথনির্দেশিকা হয়ে থাকবে। স্বপ্ন যে সত্যি হয়, এ পুরস্কার সেটারই প্রমাণ। নারীদের উদ্দেশে বলব, কখনোই কাউকে বলতে দেবেন না, আপনার জীবনের সেরা সময়টাকে ফেলে এসেছেন। কখনোই হাল ছাড়বেন না।”

অস্কারের ৯৫তম আসরে “এভরিথিং এভরিহোয়্যার অল অ্যাট ওয়ান্স” সর্বোচ্চ ১১টি বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছিল। সেরা অভিনেত্রী ছাড়াও সেরা চলচ্চিত্র, সেরা পার্শ্ব-অভিনেতা, সেরা পার্শ্ব-অভিনেত্রী, সেরা পরিচালক, সেরা মৌলিক চিত্রনাট্য, সেরা চলচ্চিত্র সম্পাদনা বিভাগে অস্কার জিতেছে মাল্টিভার্স সাই-ফাই ঘরানার সিনেমাটি।

১৯৬২ সালের ৬ আগস্ট মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুর থেকে ২০০ কিলোমিটার উত্তরে ইপোহ শহরে জন্ম নেন মিশেল ইও। ছোটবেলায় ইংল্যান্ডে তিনি নাচের প্রশিক্ষণ নেন, বিশেষ করে ব্যালে নাচে তার দক্ষতা ছিল সুনিপুণ। ছুটিতে পরিবারের সাথে দেখা করার সময়, তার মা তাকে না জানিয়ে মিস মালয়েশিয়া প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পাঠান।

পিঠের আঘাত মিশেল ইও নাচের ক্যারিয়ার ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। কিন্তু ব্যালেতে শেখা শরীরের নিয়ন্ত্রণ কৌশল ব্যবহার করে আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে তিনি জ্যাকি চ্যানের মতো অ্যাকশন ফিল্মে নাম লেখান। নব্বইয়ের দশকে তাকে হংকংয়ের বেশ কয়েকটি সিনেমায় দেখা গেছে।

১৯৯৭ সালে জেমস বন্ড সিরিজের সিনেমা টুমোরো নেভার ডাইস-এ কাজ করে দর্শকদের মধ্যে মিশেল ইওকে ঘিরে জনপ্রিয়তা সৃষ্টি হয়। পরে এ অভিনেত্রীকে চার দশকে একে একে ৫০টির বেশি সিনেমায় দেখা যায়। দীর্ঘ অভিনয় জীবনে তিনি গোল্ডেন গ্লোব, স্পিরিট অ্যাওয়ার্ডস, স্ক্রিন অ্যাক্টর গিল্ড অ্যাওয়ার্ডসের মতো পুরস্কার জিতেছেন। তবে এবারই প্রথম অস্কারে মনোনয়ন পেয়েছিলেন মিশেল ইও। প্রথমবারই বাজিমাত করলেন এ মালয়েশিয়ান তারকা।

About

Popular Links