Monday, May 20, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

অপু-নিরবের পড়ে যাওয়ার পর যা বললেন মেহজাবীন

জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী জানালেন, তিনি নিজেই কতবার পড়ে গেছেন

আপডেট : ১৪ মার্চ ২০২৩, ০৩:০১ পিএম

সম্প্রতি মুন্সিগঞ্জের একটি মঞ্চে নাচতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে যান  ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস এবং অভিনেতা নিরব।

শনিবার (১১ মার্চ) সিরাজদিখান উপজেলার একটি রিসোর্টে আয়োজিত  মুন্সিগঞ্জে-বিক্রমপুর সমিতির ৭৫ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত জমকালো অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে “বিয়াইনসাব আপনার জন্য ঢাকা থেকে ডিজে আনসি” গানের তালে মঞ্চ মাতাচ্ছিলেন তারা। গানের শেষ অংশে গিয়ে ঘটে বিপত্তি।

নিরব হঠাৎই অপুকে কোলে তুলতে যান। কিন্তু ভার সামলাতে না পেরে মঞ্চে পড়ে যান তিনি। এতে অপ্রস্তুত হয়ে পড়েন উপস্থিত দর্শকরাও। তবে মঞ্চের কয়েকজনের সহযোগিতায় নিজেদের সামলে নিয়ে বাকি পারফরম্যান্স শেষ করেন নিরব ও অপু। উপস্থিত অনেক দর্শকই এ ঘটনার ভিডিও করেন। তবে নাচ শেষে অপু বিশ্বাস এবং নিরব দুজনই সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার না করার জন্য অনুরোধ করেন।

কিন্তু তাদের সেই অনুরোধ রক্ষা হয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে সেই ভিডিওটি। অনেকেই বিষয়টি নিয়ে হাসাহাসি করেছেন। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি তারকাদের অনেকেও বিষয়টি নিয়ে মজা করেছেন। এবার সেই দলে যোগ দিলেন হালের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। তবে, অন্য সবার মতো করে নয়, মেহজাবীন চৌধুরী ভক্তদের জানালেন তিনি নিজেই কতবার পড়ে গেছেন।

সোমবার (১৩ মার্চ) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে মেহজাবীন লিখেন, “জীবনে বেশ কয়েকবার পড়ে গিয়েছিলাম। বেশ কয়েকটি ঘটনা মনে আছে এখনও।”

সেখানে নিজের পড়ে যাওয়ার চারটি ঘটনা উল্লেখ করেন মেহজাবীন। ঘটনাগুলো সম্পের্কে তিনি লিখেন, “১. ক্লাস সিক্সে ক্লাসরুমে চেয়ার দিয়ে দোল খাওয়ার চেষ্টা করতে করতে পড়ে গিয়েছিলাম। ৪০-৫০ জন ক্লাসমেটসহ টিচার, সবাই হা করে তাকিয়ে ছিল আমার দিকে। ২. একটি ফাইভ স্টার হোটেলের রেস্টুরেন্টে বুফে খাচ্ছিলাম। আশপাশে কম করে হলেও ২০০ লোকজন। বুফে টেবিল থেকে খাবার নিয়ে নিজের টেবিলে ফেরার পথে খাবারসহ আমি ফ্লোরে।“

তিনি আরও বলেন, “৩. আরেকটি ছিল ভয়ংকর ঘটনা। শুটিং করছিলাম। এক হাতে মোবাইল ফোন, আরেক হাতে কফি। সিঁড়ি থেকে নামছিলাম ফোনে মেসেজ টাইপ করতে করতে। করলাম স্লিপ। পড়ে গেলাম, কোমরে প্রচণ্ড ব্যথা পেলাম। গরম কফি চাইলে অন্য কোথাও পড়তে পারতো, কিন্তু পড়লো আমার শরীরে। সেদিনের পর থেকে সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় ফোনে কিছু লিখবো না, কসম কাটলাম। ৪. আর সবচেয়ে বেশি যেটায় পড়ি সেটা হলো ‘ঝামেলা। প্রায় প্রতিদিনই পড়ি। “

ফেসবুক পোস্টের শেষে মেহজাবীন বলেন, “আপনারা এবার মনে করার চেষ্টা করুন। জীবনে কতবার পড়ে গিয়েছিলেন। হয়তো অনেক ঘটনাই মনে পড়বে।”


About

Popular Links