Monday, May 27, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

হৃতিক: আমি নিজের জীবন থেকে অনুপ্রাণিত হই

একটি ভার্চুয়াল আলাপচারিতায় হৃতিক তার অভিনীত চরিত্রগুলোর গভীরে ডুব দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানান

আপডেট : ২৫ নভেম্বর ২০২১, ০৮:৩৫ পিএম

একের পর এক ভিন্নধর্মী চরিত্রে নিজেকে উপস্থাপন করে বছরের পর বছর দর্শকদের মুগ্ধ করে চলেছেন বলিউড তারকা হৃতিক রোশন। তিনি এমন একজন অভিনেতা, যিনি পর্দায় যে চরিত্রগুলো রুপায়নের সুযোগ পেয়েছেন সেটিকে সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ৫২তম ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অফ ইন্ডিয়া’র একটি ভার্চুয়াল আলাপচারিতায় হৃতিক তার অভিনীত চরিত্রগুলোর গভীরে ডুব দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে কথা বলেন।

হৃতিক বলেন, “প্রথম জিনিসটি হল স্ক্রিপ্টের চরিত্রের সঙ্গে একটি সংযোগ খুঁজে বের করা। চরিত্রটি কি ধরনের আবেগ ধারণ করছে সেটি অনুধাবন করে নিজের মধ্যে স্থাপন করতে পারলেই অর্ধেক কাজ হয়ে যায়। সেখান থেকেই শুরু হয় চাওয়া-পাওয়ার পুরো যাত্রা। আপনি ক্রমাগত আপনার মধ্যে সেই চরিত্রটি খুঁজতে থাকবেন-সে কিভাবে দেখে, কিভাবে হাঁটাচলা, ইত্যাদি করে সেটি আয়ত্ত করার ওপর নির্ভর করে আপনি সেই চরিত্রটির কতটা ভেতরে ঢুকতে পারছেন। যখন আপনি চরিত্রটির এসব বিষয় ধারণ করতে পারেন তখন ম্যাজিকের মতো কাজ করে।”

হৃতিক জানান, কোনো দৃশ্যে অভিনয় করার জন্য তিনি তার বাস্তব জীবন থেকে অনুপ্রেরণা নেন। তিনি বলেন, “আমি নিজের জীবন থেকে অনুপ্রেরণা নিই। আমি সাধারণত আমার মস্তিষ্ক প্রসূত স্মৃতি এবং অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে ক্যামেরায় সামনে নিজেকে উপস্থাপনের চেষ্টা করি।” 

মজার বিষয় হল, মাঝে মাঝে এই অভিনেতা তার চরিত্রের মধ্যে এতটাই ডুবে যান যে, সেই চরিত্র থেকে বের হতে তার বেশ সময় লেগে যায়। হৃতিক বলেন, "এমন কিছু সময় আছে যখন আপনি একটি চরিত্রের মধ্যে পুরোপুরি আবেগ দিয়ে সংযুক্ত হবেন, তখন আপনি এটি ছেড়ে বের হতে চাইবেন না। এটি এমন একটি ব্যাপার যা আপনি নিজের মধ্যে ধারণ করেন। কোই…মিল গায়া এবং কাবিলের মতো ছবি করার পর আমার এমনটা মনে হয়েছিল। এটি এমন কিছু আবেগ যা নিয়ে আপনি বেঁচে আছেন এবং থাকেন।” 

গত কয়েক বছরে ডিজিটাল মাধ্যমের উত্থানের বিষয়েও কথা বলেন হৃতিক, বিশেষ করে এই মাধ্যম থেকে বেশ কিছু প্রতিভাবান শিল্পী সিনেমায় আসার প্রশংসা করেন তিনি।

হৃতিক বলেন, “আমি আনন্দিত যে এত নতুন অভিনেতা এসেছে। সুযোগ বেড়েছে, এবং আমি পর্দায় যে প্রতিভা দেখছি তা অবিশ্বাস্য! এটা আমাকে আনন্দিত করে, কারণ আমি মনে করি যে; আমাদের সামাজিক পরিবেশে সব ধরনের মানুষকে পর্দায় সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা দরকার। আমার মনে হয়, একজন সুপারস্টারের যে ছাঁচ তৈরি হয়েছিল, সেটা ভেঙে যাচ্ছে। আমি মনে করি, আরও ভালো কিছু হচ্ছে। তবে এটি এখন কাস্টমাইজ করা যেতে পারে! যারা অভিনয়ে জায়গা পাকা করতে চান তাদের কঠোর পরিশ্রম করা উচিত। প্রশিক্ষণের জন্য অভিনেতাদের নিজেদেরকে দিনে পাঁচ-ছয় ঘণ্টা সময় দিতে হবে। আপনাকে একজন অলিম্পিক অ্যাথলেটের মতো নিজেকে নিয়ে ভাবতে হবে। একজন ক্রীড়াবিদ দিনে কত ঘন্টা ট্রেনিং করেন? আপনিও কি তাই করছেন?"

About

Popular Links