Sunday, May 26, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

মিথিলা: আমি নিজেও প্রতারিত হয়েছি

বিতর্কিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির কর্মকাণ্ডে সহযোগিতার অভিযোগে দায়ের করা এক মামলায় গ্রেপ্তার হতে পারেন মিথিলা

আপডেট : ১১ ডিসেম্বর ২০২১, ০৩:৫৬ পিএম

বিতর্কিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির কর্মকাণ্ডে সহযোগিতার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার হতে পারেন সঙ্গীতশিল্পী তাহসান খান, অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া ও রাফিয়াথ রশিদ মিথিলা। গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) সাজ্জাদুর রহমান।

শনিবার (১০ ডিসেম্বর) দৈনিক প্রথম আলো অনলাইনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মিথিলা এ তথ্য জানান।

মিথিলা জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ইভ্যালি বিষয়ক অনেকগুলো অভিযোগ চোখে পড়ায় তিনি অনেক আগেই প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে চুক্তি বাতিল করেন। শুক্রবার সকালে ঘুম থেকে উঠে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে মামলার বিষয়টি জানতে পারেন।

আক্ষেপ প্রকাশ করে মিথিলা জানান, এ ঘটনায় খুবই কষ্ট পেয়েছি। কোনো প্রতিষ্ঠানের যদি আর্থিক ঝামেলা বা অন্য কোনো ভুল থাকে তার জন্য তো শিল্পী বা ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডরকে দায়ী করা যায় না।

মামলার বিষয়ে মিথিলা জানান, তিনি এ বিষয়ে এখনও কোনো লিগ্যাল নোটিশ পাননি।

মিথিলা জানান, ইভ্যালির সঙ্গে তার এক বছরের চুক্তি ছিল। এ বছরের মে মাসে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে চুক্তি হলেও ইভ্যালির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ চোখে পড়ায় জুনেই চুক্তি থেকে সরে আসেন তিনি। মিথিলা বলেন, “ইভ্যালি থেকে আমরাও কোনো বেনিফিট পাইনি। উলটো আমাদের ভাবমূর্তির ক্ষতি হলো। আমাদের দিক থেকেও আমরা প্রতারিত হয়েছি।”

এর আগে ৯ ডিসেম্বর ইভ্যালির কর্মকাণ্ডে সহযোগিতার অভিযোগে তাহসান খান, রাফিয়াত রশিদ মিথিলা ও শবনম ফারিয়াসহ নয় জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন ইভ্যালির এক গ্রাহক।

তাহসান, মিথিলা ও ফারিয়া ছাড়া মামলার অন্য আসামিরা হলেন- ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রাসেল, প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ও রাসেলের স্ত্রী শামীমা নাসরিন, আকাশ, আরিফ, তাহের এবং মো. আবু তাইশ কায়েস।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, তাহসান, মিথিলা ও শবনম ফারিয়া ইভ্যালির বিভিন্ন দায়িত্বে ছিলেন। তাদের উপস্থিতি এবং তাদের বিভিন্ন প্রমোশনাল কথাবার্তার কারণে আস্থা রেখে বিনিয়োগ করেন সাদ স্যাম রহমান। এসব তারকার কারণে মামলার বাদী প্রতারিত হয়েছেন। প্রতারণামূলকভাবে গ্রাহকদের টাকা আত্মসাৎ ও সহায়তা করা হয়েছে। আত্মসাৎকৃত টাকার পরিমাণ ৩ লাখ ১৮ হাজার টাকা। যা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে, পুলিশের রমনা জোনের উপ-কমিশনার সাজ্জাদুর রহমান জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে মামলার তদন্ত কাজ শুরু হয়েছে। প্রমাণ সাপেক্ষে যে কোনো সময় অভিযুক্তরা গ্রেপ্তার হতে পারেন।

অন্যদিকে, ভুক্তভোগী গ্রাহক সাদ স্যাম রহমান মামলার নথিতে জানান, অভিযুক্তদের কথা এবং ইভ্যালিতে বিভিন্ন প্রমোশনাল কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি ৩ লাখ ১৮ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন। যা প্রতারণার মাধ্যমে তার থেকে আত্মসাৎ করেছে ইভ্যালি। যে অর্থ তিনি এখনও উদ্ধার করতে পারেননি।

About

Popular Links