Tuesday, May 21, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

এক হাজার বছর পর কেমন হবে আমাদের পৃথিবী?

যে জিন বা টিস্যুর কারণে আমাদের বয়স বেড়ে যায়, সেই জিনকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্যই গবেষণা করে যাচ্ছেন গবেষকরা । এই গবেষণার ফল হয়তো আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে প্রায় ১০০০ বছর বেঁচে থাকতে সাহায্য করবে

আপডেট : ০১ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৪:১৮ পিএম

পৃথিবী এখন ঠিক কোনদিকে এগোচ্ছে? আগামী এক হাজার বছর পর পৃথিবী ঠিক দেখতে কেমন হবে তা আমরা কেউ কি জানি? আসুন জেনে নেই এক হাজার বছর পর আমাদের এই পৃথিবী কেমন হতে পারে।  

মানুষ বসবাস শুরু করবে অন্য গ্রহে

পদার্থ বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং এক বক্তব্যে বলেছিলেন, পৃথিবী আর সর্বোচ্চ এক হাজার বছর বাঁচবে। এই কথাটি যদি সত্য বলে ধরে নেই, তাহলে আজ থেকে এক হাজার বছর পরে মানব জাতির বেঁচে থাকার একমাত্র উপায় হতে পারে মহাকাশে নতুন বসতি স্থাপন করা। যেহেতু আমার এই সুন্দর পৃথিবীটি রীতিমত বসবাসের অযোগ্য হয়ে যাবে, তাই মানুষ পৃথিবী ছেড়ে বসবাস শুরু করবে অন্য গ্রহে।

সবার চেহারা প্রায় একইরকম হয়ে যাবে

কী? শুনে অবাক হচ্ছেন? হ্যাঁ ! অবাক তো হওয়ারই কথা। কারণ ভবিষ্যতে আমাদের সবার চেহারা দেখতে প্রায় একইরকম হয়ে যাবে। ড. কোয়ান তার দূরদর্শী চিন্তা থেকে অনুমান করেন যে সুদূর ভবিষ্যতে মানুষের কপাল, নাকের ছিদ্র, চোখ এগুলি আকারে আরও বড় দেখাবে। এমনকি আমাদের গায়ের রঙেও চলে আসবে ভিন্নতা । পিতা-মাতারা তাদের সন্তানের চেহারাটি নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী যাতে বেছে নিতে পারেন সেজন্যই বিজ্ঞানীরা ইতোমধ্যে জিনোম সম্পাদনের উপায়গুলি বের করার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।

মানুষ বেঁচে থাকবে প্রায় ১০০০ বছর অথবা তার বেশি

বৃদ্ধ হতে আমরা কেউই চাই না, আর তাই বৃদ্ধ হওয়াটাকে পুরোপুরিভাবে ধীরগতি করার বা থামানোর জন্য চলছে বিস্তর গবেষণা। এই গবেষণার ইন্ধন যোগাচ্ছেন বৃদ্ধ হতে না চাওয়া বড় বড় ধনী ব্যক্তিরা।

যে জিন বা টিস্যুর কারণে আমাদের বয়স বেড়ে যায়, সেই জিনকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্যই গবেষণা করে যাচ্ছেন গবেষকরা । এই গবেষণার ফল হয়তো আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে প্রায় ১০০০ বছর অথবা তার বেশি সময় বেঁচে থাকতে সাহায্য করবে।

থাকবে সুপার-ফাস্ট বুদ্ধিমান কম্পিউটার

২০১৪ সালের একটি সুপারফাস্ট কম্পিউটার আজ অবধি মানব মস্তিষ্কের সর্বাধিক নির্ভুল সিমুলেশন তৈরি করেছিল। এখন থেকে ঠিক এক হাজার বছর পর কম্পিউটার কাজ করবে এমন গতিতে যা সাধারণ কম্পিউটারের করতে প্রায় দশবছর সময়ের প্রয়োজন।

কোয়ান্টাম কম্পিউটারগুলি স্থান অনুসন্ধানে, কার্যকর ঔষধ ও রোগ নির্ণয়ে রাখবে কার্যকর ভূমিকা। এই সুপারফাস্ট ও বুদ্ধিমান কম্পিউটার নিজেই মোটর গাড়ি চালাতে সক্ষম হবে। তবে একইসাথে কোয়ান্টাম কম্পিউটিং গোপনীয়তা ও তথ্য সুরক্ষার জন্য হুমকির কারণও হতে পারে।

সব ধরনের ভাষা বুঝতে পারবে মানুষ

ভাষাবিজ্ঞানীদের মতে, এখন থেকে ১০০০ বছর পর মোট ভাষার প্রায় ৯০ শতাংশ কালের গর্ভে হারিয়ে যাবে এবং বাকি ভাষাগুলো থাকবে সবার বোধগম্য। আবার এমনটিও হতে পারে যে, আমাদের সবাইকে মাত্র একটি ভাষা ব্যবহার করে ভাবের আদান-প্রদান করতে হচ্ছে।

কমান্ডের মাধ্যমে বিল্ডিং ছোট-বড় করা

কথাটি শুনতে বেশ অবাক লাগলেও প্রযুক্তির আদলে বিল্ডিংগুলা ভেঙে ভেঙে ছোট কিংবা বড় করতে পারবো। এক্ষেত্রে আমরা কিন্তু বর্তমানেই কিছু ফার্নিচার প্রয়োজনে ফোল্ড করে রাখতে পারি, আবার চাইলে বড়ও করতে পারি।

ন্যানোটেকনোলজি প্রযুক্তিতে শক্তি ও দূষণ সংকটের সমাধান

১০০০ বছর পরে ন্যানোটেকনোলজি আমাদের পরিবেশগত দূষণ মুক্ত করে সুন্দর একটি পরিবেশ উপহার দেবে। এছাড়া এই টেকনোলোজি পানি ও বাতাস বিশুদ্ধ করনেও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

About

Popular Links