Tuesday, May 28, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

‘চিতা বাঘ’-এর আদ্যোপান্ত

প্রায় প্রতিদিনই চিতা বাঘকে দেখতে স্থানীয়রা ভিড় জমান কায়নাথের বাড়িতে

আপডেট : ০৭ জুলাই ২০২০, ০৬:৩১ পিএম

আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে বিক্রির অপেক্ষায় থাকা একটি গরুর নাম ‘‘চিতা বাঘ’’। আয়তনে বিশালদেহী ও উচ্চমূল্যের কারণে খুলনার তেরখান্দা উপজেলার কাটেঙ্গা গ্রামের গরুটি এবারের কোরবানির হাটে গরুটি আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

জানা গেছে, সাড়ে তিন বছর বয়সী হলস্টেন-ফ্রিজিয়ান জাতের গরুটির ওজন প্রায় ১,৫০০ কেজি। এটির গায়ের রং সাদা-কালোর মিশেল। গায়ে ছোপ ছোপ থাকায় চিতা বাঘের নামে নামকরণ করা হয়েছে পশুটির।

আসন্ন ঈদুল আযহায় বিশালদেহী গরুটিকে ১০ লাখ টাকায় বিক্রির আশা করছেন এটির মালিক কায়নাথ শিকদার। উল্লেখ্য গত বছর কোরবানির হাটে ওঠা দেশের সবচেয়ে বড় গরু “মেসি”-কে বিক্রি করা হয়েছিল ৩৭ লাখ টাকায়।

আজকাল প্রায় প্রতিদিনই চিতা বাঘকে দেখতে স্থানীয়রা ভিড় জমান কায়নাথের বাড়িতে। তিনি বলেন, “গরুটিকে গোসল করানোর সময় অনেকেই এটির সঙ্গে ছবি তুলতে চান অনেকে। কেউ কেউ সেলফি তোলেন, ভিডিও করেন।”

কায়নাথ আরও বলেন, “গরুটিকে আমি নিজের সন্তানের মতো বড় করেছি। এখন সে আকার ও স্বভাবে চিতা বাঘের মতোই হয়ে উঠেছে।”


আরও পড়ুন- ট্রেনে আসবে গরু


তেরখাদা উপজেলার ভেটেরনারী সার্জন জহিরুল ইসলাম বলেন, ফ্রিজিয়ান জাতের গরু স্বাভাবিক ভাবে ৭শ থেকে ১৩শ কেজি পর্যন্ত ওজনের হয়ে থাকে। আর জিনগত পার্থক্যের কারণে এ জাতের গরু ১৭শ – ১৮শ কেজি পর্যন্ত হতে পারে। তবে তা অহরহ নয়। ২-১টির ক্ষেত্রে এ পার্থক্য হয়। তেমনই একটি কাটেঙ্গার কায়নাথের গরু। স্বাভাবিকভাবে এ জাতের গরুর উচ্চতা ৫ ফুট ও লম্বায় ৭ ফুট পর্যন্ত হয়। কিন্তু কায়নাথের গরু এর চেয়ে আকৃতিতে বড় হয়েছে। তিনি বলেন, তেরখাদা উপজেলায় ৪ হাজার গরু ও আড়াই হাজার ছাগল কোরবানির জন্য প্রস্তুত রয়েছে। এ মজুদ দিয়ে তেরখাদার চাহিদা পূরণ করে বাইরে বিক্রি করা সম্ভব হবে।

মালিক কায়নাথের সঙ্গে চিতা বাঘ। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

জানা গেছে, খুলনায় এ বছর পশু পালনের খামারীর সংখ্যা ৬ হাজার ৮৯০। যা গত বছর ছিল ৮ হাজার ১টি। গত বছর কোরবানীর জন্য খুলনায় ৫১ হাজার ২৯৪টি পশু প্রস্তুত ছিল। এবার প্রস্তুত রয়েছে ৪৫ হাজার ১৪৮টি। এবার প্রস্তুতকৃত পশুর মধ্যে গরু ৪০ হাজার ৯৬৮টি এবং ছাগল ও ভেড়া ৪ হাজার ১৮০টি রয়েছে। আর গত বছর প্রস্ততকৃত পশুর মধ্যে গরু ৩৪ হাজার ৯৪১টি, ছাগল ১৫ হাজার ১০৮টি ও ভেড়া ১ হাজার ২৪৫টি ছিল। পরিসংখ্যান অনুযায়ি গত বছরের তুলনায় এবার খুলনায় খামারের সংখ্যা কমেছে ১ হাজার ১১১টি। গত বছরের তুলনায় গবাদিপশু কমেছে ৬ হাজার ১০১টি।

About

Popular Links