Wednesday, May 29, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

সম্পর্কের তিক্ততা ভুলে শুরু করুন নতুনভাবে!

দ্বিতীয়বার কোনও সম্পর্ককে সুযোগ দিলে এক্ষেত্রে আপনার প্রথম গুরুত্ব অবশ্যই হবে নিজেকে ভালো রাখা!

আপডেট : ১০ অক্টোবর ২০২০, ০৪:২৭ পিএম

প্রিয় বন্ধুর সঙ্গে সম্পর্কে ছেদ কিংবা দীর্ঘদিনের দাম্পত্যে কিঞ্চিৎ বিরক্তি? প্রিয়জনের সঙ্গে সম্পর্কের রসায়ন ঠিক যে পর্যায়েই থাকুক না কেন, যাবতীয় ভুল বোঝাবুঝি-মান-অভিমান পিছনে ফেলে বরং নতুন করে শুরু হোক! তবে, দ্বিতীয়বার কোনও সম্পর্ককে সুযোগ দিলে এক্ষেত্রে আপনার প্রথম গুরুত্ব অবশ্যই হবে নিজেকে ভালো রাখা। তাই এরসঙ্গে মাথায় রাখুন আরও কয়েকটি বিষয়।

বন্ধুর সঙ্গে তিক্ততায়

১. বহু পুরনো কোনও বন্ধুর সঙ্গে আজকাল হয়ত ঠিকঠাক বনিবনা হচ্ছে না, ফলে প্রায়ই খিটমিট লেগে যাচ্ছে। আর এর প্রভাবে নিজের মন খারাপের ভাবটাও এড়াতে পারছেন না! দেখুন, যদি পুরনো সম্পর্কগুলোয় একটু মানিয়ে-গুছিয়ে চলতেই হয় তবে ক্ষতি কী! আবার প্রয়োজনে কোনও কোনও বন্ধুত্বের সম্পর্কের বাঁধন আলগা করে বেরিয়ে এলে যদি নিজে ভাল থাকা যাবে বলে মনে হয়, তাহলে সেরকমটাই করুন। 

২. প্রথমেই ভাবুন, যে বন্ধুর সঙ্গে সম্পর্কে অস্বস্তি হচ্ছে সেই সম্পর্কের মূল্য আসলেই আপনার কাছে কতখানি। আর তার ওপরই নির্ভর করবে আপনি সেই বন্ধুত্ব ধরে রাখার জন্য ঠিক কতটা “শ্রম” দেবেন। 

৩. কখনও কখনও জীবনে ক্ষমাশীল হওয়া যেমন প্রয়োজন, তেমনই আত্মসম্মানবোধ বিসর্জন দিয়ে কোনও সম্পর্কে থেকে যাওয়ারও প্রয়োজন নেই। ধরুন, দিনের পর দিন কাছের বন্ধুর কাছে ছোট হচ্ছেন, অপমানিত হচ্ছেন। একেবারেই প্রয়োজন নেই সে বন্ধুর না-থাকার কথা ভেবে মন খারাপ করার। তারচেয়ে আপনার জন্য ভালো এমন বন্ধুদের দিকে হাত বাড়ান, মন ভালো থাকবে।

দাম্পত্য ঝালিয়ে নিন আরেকবার

১. একসঙ্গে থাকতে গিয়ে টুকটাক ঝগড়া বা মান-অভিমান হয়েই থাকে কিন্তু তা যদি বাড়াবাড়ি পর্যায়ে পৌঁছায়, তখন সেই দাম্পত্য সম্পর্কে স্রেফ অভ্যেসের বশে টিকে থাকা কঠিন! 

২. প্রতারণা, খারাপ ব্যবহার বা কাছের সঙ্গীর কাছ থেকে ক্রমাগত মানসিক নির্যাতন হলে আর সম্পর্ক জোড়া লাগানোর আশা করবেন না। সেক্ষেত্রে একটা কিছু সিদ্ধান্ত আপনাকে নিতেই হবে। তবে হ্যাঁ, পরিস্থিতি যতটা এতটাও খারাপ না হয়, তাহলে দু’পক্ষই আরও একবার সুযোগ পেতেই পারেন। 

৩. মানিয়ে চলা মানেই যে “আত্মবিসর্জন” দেওয়া তা কিন্তু নয়। অনেকেই ভাবেন, একবার কোনও কারণে সঙ্গীকে ক্ষমা করে দিলে বা তাকে আর একটা সুযোগ দিলে হয়তো ভবিষ্যতেও সুযোগ দিতেই থাকবেন। নিজের কাছে প্রতিজ্ঞা করুন। আপনার সঙ্গী যেন বারবার আপনার নরম মনোভাবের সুবিধে না নিতে পারেন। 

৪. দাম্পত্যে অনেকসময় ভুল বোঝাবুঝি, ঝগড়া বা মনোমালিন্য হতেই পারে। তাই ছোট-খাটো বিষয়গুলো কখনোই মনের ভেতর পুষে না রেখে সেটি নিয়ে কথা বলুন। আলোচনা করে খুঁজে নিন তার সমাধান। 

৫. অভিমান চেপে রাখতে যাবেন না, এতে ফল বিপরীত হয়ে যাবে। স্বামী বা স্ত্রীর সঙ্গে আরেকবার বন্ধুত্ব গড়ে তোলার চেষ্টা করুন। মনখুলে তাকে বলুন সব। এতদিন যেগুলো সমস্যা বলে মনে হয়েছে, মনে পুষে না রেখে সেগুলো তাকেও বুঝতে দিন।

৬. সঙ্গীর সঙ্গে কোথা থেকে ঘুরে আসুন। হাওয়া-বদলও কিন্তু হতে পারে তিক্ততা আর একঘেয়েমির যুতসই দাওয়াই! দেখুনই না, সবকিছু ভুলে একবার নিজেদের মধ্যকার সেই পুরনো রসায়ন ঝালিয়ে নিতে পারেন কিনা!  

About

Popular Links