Thursday, May 23, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

আপনার বন্ধুটি আদতেও ‘বন্ধু’ তো?

বন্ধু যদি আপনাকে ‘টেকেন ফর গ্রান্টেড’ করে ফেলে, তাহলে তাকে অবশ্যই এড়িয়ে চলুন

আপডেট : ১৮ নভেম্বর ২০২০, ০৭:২৫ পিএম

সুখে-দুঃখে বন্ধুদের প্রতি আমাদের ভরসা অগাধ। মন খুলে কাউকে কিছু বলতে না পারলে আমরা খুঁজি একজন প্রকৃত বন্ধু। যদিও বা ভাগ্য করে জনাকয়েক ভাল বন্ধু পেলেন, তার তুলনায় হয়তো বেশি সংখ্যাতেই পাবেন এমন কয়েকজনকে যারা নামে বন্ধু হলেও কাজে একেবারেই অবান্ধবসুলভ। সহজে বলতে গেলে, এরা “টক্সিক ফ্রেন্ড”। সামনে মিষ্টিমিষ্টি কথা বললেও আপনার পেছনে সমালোচনা করলে, তিনি কখনই প্রকৃত বন্ধু নন। বন্ধুত্বের মুখোশ আঁটা এই মানুষগুলোকে চিনে নিন। মিলিয়ে নিন কয়েকটি লক্ষণ।

১. আপনার কঠিন সময়ে কখনই এদের আপনি পাশে পাবেন না। কোথাও বেড়াতে যাওয়া হোক বা রেস্তরাঁয় খেতে যাওয়ায় এরা অবশ্যই হাজির! তবে যখনই কোনও বিপদে এদের আপনার পাশে প্রত্যাশা করবেন, তখন এরা নানা অজুহাতে তা এড়িয়ে যাবে। অবান্ধবসুলভ আচরণের এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

২. সামনে ভালো কথা বললেও পেছনে আপনার নিন্দা-সমালোচনা করতেই বেশি ভালবাসে এরা। হয়তো আপনার অন্য বন্ধুদের কাছে আপনার সম্পর্কে এমন কিছু কথা শুনলেন যা মোটেও সত্যি নয়। জিজ্ঞেস করতেই বোঝা গেল, কথাগুলো কে বলেছে! আপনিও বুঝে গেলেন এরা আদতেও আপনার বন্ধু নয়।

৩ কোনও বন্ধু যদি জেন্ডার বায়াসড হন, তাহলেও তাদের সংসর্গ ত্যাগ করা প্রয়োজন। যেমন, আপনি নারী হয়ে থাকলে যদি সে বা তারা সারাক্ষণ বলতে থাকে, আপনার কীরকম পোশাক পরা উচিৎ, কেমনভাবে কথা বলা উচিৎ বা সমাজে আপনার নির্দিষ্ট দায়িত্ব কী, অর্থাৎ এসব অতি ব্যক্তিগত বিষয়েও যদি আপনার বন্ধু বিশদ জ্ঞান দিতে থাকে, তাহলে তাতে কর্ণপাত না করাই উচিৎ হবে!

৪. যদি আপনার বন্ধু যদি সবসময়ই আপনার সঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব দেখান, তাহলে তিনি আপনার প্রকৃত বন্ধু নন মোটেও। বন্ধুত্বে ইগো থাকতে নেই। আপনার সাফল্যে খুশি না হয়ে যদি তিনি মুখ ঘুরিয়ে থাকেন, তাহলে সতর্ক হন। ইগোর সমস্যা পরে কিন্তু আরও বড় আকার ধারণ করতে পারে। আবার আপনাকে যদি কথায় কথায় তিনি হেয় করার চেষ্টা করেন তাহলেও ভেবে দেখুন এরকম বন্ধুত্ব আদতেও রাখবেন কি না।

৫. আপনার বন্ধু আপনাকে যদি “টেকেন ফর গ্রান্টেড” করে ফেলেন, তাহলে আপনি অবশ্যই তাকে এড়িয়ে চলুন। তার যেকোনও প্রয়োজনে আপনি সবসময় পাশে থেকেছেন, যথাসাধ্য করেছেন। তবে কোনও একবার সাহায্য না করতে পারলেই তিনি আপনাকে কটূকথা শোনাবেন, এটা মোটেও কাজের কথা নয়।

৬. বন্ধুত্ব একটা “কমফোর্ট জোন”। বন্ধুতে বন্ধুতে কোনও বিষয় নিয়ে টুকটাক মান-অভিমান হতেই পারে। তবে যদি প্রায়ই আপনার বন্ধু আপনাকে কথা কিংবা কাজে আহত করেন, তাহলে তার সঙ্গে সম্পর্ক রাখা কষ্টকর।

About

Popular Links