Sunday, May 26, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

খাদ্যতালিকায় রাখুন নারকেল!

স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়ার জন্যও নারকেলের উপকারিতার কথা বলে শেষ করা যাবে না, তাই খাদ্যতালিকায় বিশেষভাবে জায়গা করে দিন নারকেলকে!

আপডেট : ১১ মার্চ ২০২১, ১০:৩৭ এএম

শীতকালে নারকেলের পুর দেওয়া পিঠে-পুলি কিংবা বিভিন্ন রান্নায় নারকেলের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য। স্বাদের পাশাপাশি পুষ্টিগুণেও নারকেলের জুড়ি মেলা ভার। শরীর-স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়ার জন্যও নারকেলের উপকারিতার কথা বলে শেষ করা যাবে না। তাই খাদ্যতালিকায় বিশেষভাবে জায়গা করে দিন নারকেলকে! জেনে নিন নারকেলের বিবিধ উপকারিতার খবর।

১. নারকেলের মধ্যে স্যাচুরেটেড ফ্যাট (এমসিটি) পাওয়া যায় যা একদমই ক্ষতিকারক নয়। কারণ তা শরীরে জমা থাকে না, বরং এই ফ্যাট শরীরে শক্তি সরবরাহ করতে সাহায্য করে। এক্ষেত্রে এর কাজ কিছুটা কার্বোহাইড্রেটের মতো। এমসিটি ক্যালরি বার্ন করতেও সাহায্য করে।

২. সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, নারকেলের ফ্যাট খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে এবং ভাল কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ানোর সহায়ক।

৩. তবে হৃদরোগাক্রান্ত ব্যক্তিরা কিংবা যাদের কোলেস্টেরলের সমস্যা রয়েছে তাদের নারকেল খাওয়ার ক্ষেত্রে ডাক্তারদের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

৪. নারকেলের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। ফাইবার বেশি পরিমাণে থাকার কারণে হজমশক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে নারকেল। সেইসঙ্গে দীর্ঘক্ষণ পেট ভর্তি রাখে।

৫. নারকেলের মধ্যে রয়েছে প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ ম্যাঙ্গানিজ, যা ফ্যাট ও প্রোটিন বিপাকে সাহায্য করে।

৬. দেহে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে, রক্তে চিনির মাত্রা স্থিতিশীল রাখতেও নারকেল বেশ উপকারীই বলা যায়।

৭. শরীরে আয়রন, থায়ামিন ও ভিটামিন ই-এর কার্যকারিতা বাড়াতেও নারকেলের গুণাগুণ চোখে পড়ার মতো।

৮. শুকনো নারকেলের শাঁসে পাওয়া যায় পটাশিয়াম ও কপার। পটাশিয়াম শরীরের কোষের তরলের ভারসাম্য বজায় রাখতে, পেশির বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। আর লোহিত রক্তকণিকার উৎপাদনে এবং স্বাদের অনুভূতি তৈরিতে কপার সাহায্য করে।

৯. অগ্ন্যাশয়কে ভাল রাখতে ও মধুমেহ রোধ করতে নারকেল বেশ উপকারী। রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা বেড়ে গেলে তা নিয়ন্ত্রণে নারকেলের যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে।

১০. এটি অন্ত্রে ভিটামিন, মিনারেলস, অ্যামাইনো অ্যাসিড শোষণ করতেও সাহায্য করে।

১১. শুধুমাত্র নারকেলের শাঁসই নয়, নারকেলের দুধেরও যথেষ্ট পুষ্টিমূল্য রয়েছে।

১২. হাড় সংক্রান্ত রোগ যেমন অস্টিওপোরেসিস, অস্টিওআর্থ্রাইটিস থেকে মুক্তি পেতে নারকেলের দুধ খাওয়া যেতে পারে। এটি হাড়ে ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম শোষণে সহায়ক।

১৩. লিভারের সমস্যা কিংবা পেটের সমস্যাতেও নারকেল উপকারী, বিশেষত নারকেলের দুধ।

১৪. হেপাটাইটিস সি, জন্ডিস ও অন্যান্য লিভারের অসুখের ক্ষেত্রে নারকেলের দুধ খাওয়া যেতে পারে।

১৫. আখরোট আর বাদামের সঙ্গে নারকেল মিশিয়ে খেলে স্মৃতিশক্তি ও মনঃসংযোগ বাড়ার সম্ভাবনা থাকে।

About

Popular Links