Friday, May 24, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ঈদের দিনে ঘরোয়া সাজ!

ঈদের সকালের নাশতা তৈরি করা থেকে শুরু করে কোরবানির কাজের প্রস্তুতি নিতে হয় বাড়ির মেয়েদেরই, তাই সাজগোজের প্রস্তুতিটাও হতে হবে কিছুটা বিশেষ

আপডেট : ২০ জুলাই ২০২১, ০৬:৩৮ পিএম

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে ঈদে বের হওয়ার সুযোগ নেই। তাই বলে কী ঈদের দিনে নতুন পোশাক পরা কিংবা সাজগোজ করা হবে না, তাতো নয়!  তাই বিশেষ এ উৎসবের দিনটিতে নিজেকে আরো সুন্দর করে তুলতে নিয়ে নিন কিছুটা প্রস্তুতি। পাশাপাশি পোশাক অনুযায়ী, ঈদের দিনের সাজকে তিনটি বেলায় ভাগ করে নিন।

সকালের সাজ 

কোরবানি ঈদ বলে, মেয়েদের কাজের চাপটা একটু বেশিই থাকে। সেটা ঈদের সকালের নাশতা তৈরি করা থেকে শুরু করে কোরবানির কাজের প্রস্তুতি নিতে হয় বাড়ির মেয়েদেরকেই। তাই পোশাক বেছে নিতে হবে আরামদায়ক। ঈদের সকালেই গোসলটা সেরে নিয়ে কিছুটা স্কিনকেয়ার করে নিতে পারেন, প্রথমে আপনার ত্বক অনুযায়ী একটি ভালো মানের টোনার ব্যবহার করবেন। তারপর ব্যবহার করতে পারেন একটি ভালো মানের সিরাম। এরপর একটি ভালো মানের ভিটামিন “ই” বা “সি” ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে পারেন। সাথে অবশ্যই দিনের বেলা এসপিএফ ৪০++ যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে। যাতে সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি আপনার ত্বকের কোনো প্রকার ক্ষতি করতে না পারে। সানস্ক্রিন ব্যবহারের পর অবশ্যই কিছুক্ষণ সময় নিতে হবে স্কিনে সেট হতে। তারপর স্কিনের ধরন অনুযায়ী একটা ভালো মানের প্রাইমার ব্যবহার করতে হবে। প্রাইমার মেকআপকে লং লাস্টিং করতে সাহায্য করে।

সকালে মেকআপটা হালকা রাখতে লাইট একটি ফাউন্ডেশন (স্কিন টোন অনুযায়ী) ব্যবহার করা যেতে পারে, কিংবা বিবি ক্রিমও ব্যবহার করা যেতে পারে। এরপর একটি প্রেস পাউডার অথবা লুস পাউডার দিয়ে ফাউন্ডেশন বা বিবি ক্রিমটি সেট করে নিতে হবে। মেকআপটিকে লং লাস্টিং করার জন্যে একটি ম্যাট সেটিং স্প্রে ব্যবহার করে নিতে পারেন, এখন কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে। আপনি চাইলে চোখে ন্যাচারাল কালার শ্যাডো দিয়ে নিতে পারেন, সাথে আইলাইনার কিংবা কাজল দিয়ে চোখের সাজটা কমপ্লিট করতে পারেন। ঠোঁটে ন্যুড লিপস্টিক ব্যবহার করতে পারেন। টিপ পরতে পছন্দ করলে একটি ছোট টিপ দিয়ে সাজটি শেষ করতে পারেন। এতে আপনাকে অনেক ফ্রেশ এন্ড ন্যাচারাল লাগবে দেখতে। চুলের ক্ষেত্রে, চুলগুলোকে সামনে ফ্রেঞ্চ বেণি কিংবা পনিটেল করে নিতে পারেন।  বড় চুলের ক্ষেত্রে, সামনে ফ্রেঞ্চ বেণি করে পেছনে একটা বড় খোঁপা করে নিতে পারেন। এমনই হতে পারে আপনার ঈদের সকালের সাজটি। 

বিকেলের সাজ:

সকালের করা মেকআপটি আমরা দুপুরে খাওয়াদাওয়ার পর উঠিয়ে ফেলতে পারি। মেকআপটি রিমুভ করার ক্ষেত্রে অবশ্যই অয়েল বেইসড ক্লিঞ্জার ব্যবহার করতে হবে এরপর ভালো মানের ফেসওয়াশ ব্যবহার করে মুখটি ধুয়ে নিতে হবে। অয়েল বেইসড ক্লিঞ্জার ওয়াটারপ্রুফ মেকাপ কিংবা ত্বকে আটকে থাকা মেকআপগুলোকে খুব সহজেই তুলে ফেলতে সাহায্য করে। তারপর স্কিন বুঝে ভালো মানের টোনার ব্যবহার করতে হবে। এরপর ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে একটি প্রাইমার ব্যবহার করে মেকআপের জন্য স্কিনটি তৈরি করে নিতে হবে। তারপর একটি ভালো মানের ফাউন্ডেশন ব্যবহার করতে হবে স্কিন টোন অনুযায়ী। চোখের নিচে কালো দাগ কিংবা মুখে কোনো কালো স্পট থাকলে একটি কন্সিলার ব্যবহার করে সহজেই আমরা সেটি ঠিক করে নিতে পারি। তারপর প্রেস পাউডার বা লুস পাউডার দিয়ে প্রেস করে করে মেকআপ সেট করে নিতে হবে। এবার পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে চোখের সাজটা একটু গাঢ় করতে পারি। এবং মিলিয়ে একটি লিপস্টিক ব্যবহার করতে পারি। তারপর একটা ব্লাশ এবং একটি হাইলাইটার ব্যবহার করে সাজটি ফুটিয়ে তুলতে পারি। সাজের সঙ্গে আমরা চুলটা স্ট্রেইটনার দিয়ে স্ট্রেইট করে নিতে পারি কিংবা কার্লার মেশিনের মাধ্যমে হালকা স্পাইরাল করে সেট করে নিতে পারি। 

রাতের সাজ:

ঈদের রাতে অনেক সময় দাওয়াত থাকে। তখন দাওয়াতের জন্য সাজটা একটু গর্জিয়াস করা যেতেই পারে। তাই রাতের মেকআপটা হবে একটু ভারী। প্রাইমার এবং ফাউন্ডেশনের পরে চোখের নিচে, নাকে, কপালে এবং থুতনিতে কন্সিলার ব্যবহার করতে পারি এতে করে মেকাপ টা অনেক বেশি ব্রাইট লাগবে। সাথে অবশ্যই একটা ভালো ম্যাট সেটিং স্প্রে ব্যবহার করতে হবে। এতে করে মেকআপটা লং লাস্টিং হবে এবং অনেকক্ষণ সময় পর্যন্ত সেট থাকবে। তারপর হালকাভাবে লুজ পাউডার বা ট্রান্সলুসেন্ট পাউডার ব্যবহার করতে পারি। তারপর ড্রেসের সঙ্গে মিলিয়ে চোখটা একটু ডার্ক করে সাজানো যেতে পারে রাতের বেলায়। যেহেতু রাতের মেকআপ তাই একটি গাঢ় রঙের লিপস্টিক ব্যবহার করা যেতে পারে যেটা ড্রেসের সঙ্গে মানানসই হবে। তারপর একটু ব্লাশ এবং হাইলাইটার দিয়ে চিক বোন, চিন এবং আই ব্রো-বোনে সুন্দরভাবে হাইলাইট করতে হবে। চুলগুলো আমরা স্পাইরাল বা সুন্দর করে ফ্রন্ট সেটিং করে ছেড়েই রাখতে পারি রাতের বেলায়।

About

Popular Links