Saturday, May 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

হৃদরোগ আক্রান্তের ঝুঁকিতে আছেন কি না, বুঝবেন যেভাবে

যে কোনো অসুখ থেকে বাচতেই নিজের নিয়ন্ত্রিত জীবনের বিকল্প নেই

আপডেট : ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৬:০৭ পিএম

অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনে বাড়ছে হৃদরোগে আক্রান্তের সংখ্যা। হঠাৎ করে গুরুতর অসুস্থ না হওয়া পর্যন্ত প্রায় কেউই এই রোগের বিষয়ে সচেতন হন না। ফলে ভুগতে হয় আজীবন। তবে হৃদরোগ গুরুতর হওয়ার আগেই বেশ কিছু লক্ষণ দেখা দিতে থাকে। যেগুলো থেকে সচেতন হলে অনেকাংশেই বড় ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব।

ভারতের ইন্টারভেনশনাল স্ট্রাকচারাল কার্ডিওলজিস্ট ডা. রবিন্দর সিং রাও এই বিষয়ে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন।

এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতের সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস।

প্রতিবেদনে হৃদরোগ আক্রান্তের ঝুঁকির কয়েকটি লক্ষণ তুলে ধরা হয়েছে। এজন্য সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন এই চিকিৎসক।

ক্লান্তি: কোনো কাজ করতে গেলেই ভীষণ ক্লান্তি ভর করার মধ্যে রয়েছে হৃদরোগ আক্রান্তের লক্ষণ। শরীরের যেসব জায়গা থেকে আমরা শক্তি পাই, সেই অঙ্গগুলো যদি ঠিকঠাক কাজ না করে। তাহলে শরীরে ক্লান্তি দেখা দেয়। যা থেকে ঘটতে পারে হৃদরোগ।

শ্বাসকষ্ট: কোনো ভারী কাজ না করলেও কখনও কখনও বুক ধরফর করতে পারে। দম নিতে কষ্ট হতে পারে। মূলত হৃৎপিণ্ডের কার্যকারিতা কমে যাওয়ায় শরীরের পর্যাপ্ত অক্সিজেন গ্রহণের ক্ষমতা কমে যায়। ফলে শ্বাসকষ্ট হয়। এমনটা হলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

বুকে ব্যথা: বুকে ব্যথার লক্ষণকে অনেকেই মনে করেন গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা। কিন্তু আসলে বুকে ব্যথার সমস্যা নিয়ে হেলাফেলা করা ঠিক নয়। এটি হতে পারে হৃদরোগের অন্যতম কারণ। প্রায়ই বুকে ব্যথা হলে সেটিকে অবহেলা করা আপনার জন্য বড় বিপদের কারণ হতে পারে।

অনিয়মিত হার্টবিট: স্বাভাবিকভাবে একজন সুস্থ মানুষের পালস রেট ৬০-১০০ এর মধ্যে থাকে। এর কমবেশি হলেই বুঝতে হবে হৃদযন্ত্র ঠিকমতো কাজ করছে না। প্রায়ই এ সমস্যা দেখা দিলে অবহেলা করা যাবে না মোটেই।

শরীরের অস্বস্তি: বুক, ঘাড়, চোয়াল বা পিঠসহ শরীরের ওপরের অংশে অস্বস্তি হৃদরোগের লক্ষণ। এই অস্বস্তি নিয়মিত বিরতিতেই হতে থাকলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

বমি বমি ভাব ও মাথা ঘোরা: বমি বমি ভাব, কখনও কখনও হালকা-মাথা বা মাথা ঘোরাসহ, হৃৎপিণ্ডের সমস্যাও হৃদরোগের লক্ষণ হতে পারে। কার্যকরভাবে রক্ত​পাম্প করতে হৃদপিণ্ডের অক্ষমতার কারণে রক্তচাপ কমে যেতে পারে, যার ফলে এই অনুভূতি হয়।

অতিরিক্ত ঘাম: আমাদের দেশ নাতিশীতোষ্ণ। আমরা স্বাভাবিকভাবে ঘামি। তবে হৃৎপিণ্ডের ওপর চাপের কারণেও অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে। এটি হৃদরোগের একটি বড় উপসর্গ।

সর্বোপরি, যে কোনো অসুখ থেকে বাচতেই নিজের নিয়ন্ত্রিত জীবনের বিকল্প নেই। আর কোনো হেরফের দেখলে সেটিকে গুরুত্ব দিয়ে সমাধান করতে হবে, এমনটাই মনে করেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।

About

Popular Links