Saturday, June 15, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

তালের শাঁস কেন খাবেন?

বাজারে বিভিন্ন দামে মিলছে কচি তালের শাঁস

আপডেট : ২৩ মে ২০২৪, ০৫:০১ পিএম

গ্রীষ্মকাল দেশি ফলের ভরা মৌসুম। ইতোমধ্যেই বাজারে এসে গেছে নানা ধরনের দেশীয় ফল। আর যেসব ফল এই মুহূর্তে চাহিদার শীর্ষে রয়েছে তার মধ্যে কচি তাল অন্যতম।

গরমের এই সময়ে প্রাণ জুড়াতে রসে ভরপুর তালের শাঁসের জুড়ি মেলা ভার। কচি তালশাঁসে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, আঁশ, ভিটামিন, এবং খনিজ উপাদান। এছাড়া তালশাঁসের বেশির ভাগ অংশই জলীয়। ফলে শরীরের পানিশূন্যতা পূরণে তালশাঁসের ভূমিকা বেশ কার্যকরী।

চলুন, জেনে নেওয়া যাক যেসব কারণে এই মৌসুমে তালের শাঁস খেতে পারেন সে সম্পর্কে-

কচি তালের শাঁসের ১০০ গ্রাম খাদ্যযোগ্য অংশে খাদ্যশক্তি ২৯ কিলোক্যালরি, জলীয় অংশ ৯২ দশমিক ৩ গ্রাম, শর্করা ৬.৫ গ্রাম, খাদ্য আঁশ ০.২ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৪৩ গ্রাম, ভিটামিন- সি ৪ মিলিগ্রাম।

তালের শাঁস গরমে শরীরের বাড়তি পানির চাহিদা মেটাতে সাহায্য করে। তাই পানি ও পানি জাতীয় খাবারের পাশাপাশি সুমিষ্ট ফল গ্রীষ্মের প্রচণ্ড গরমে ভীষণ উপকারী। 

কচি তালে রয়েছে জেলাটিন, যা খাওয়ার পর পেট ভরে যাওয়ার মতো অনুভূতি দেয় এবং ক্ষুধাভাব কমিয়ে ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

কচি তালের শাঁসে থাকা সোডিয়াম ও পটাসিয়াম শরীরের ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে। ফলে গরমের ক্লান্তি দূর হয়। বমি ভাব বা ডায়রিয়ায় আক্রান্তদের জন্য এটি বেশ উপকারী একটি খাবার।

তালের শাঁসে থাকা খাদ্য আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা সমাধানে সহায়ক। হজমের সমস্যা দূরে রাখতেও তালশাঁস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি ভালো রাখে অন্ত্রের স্বাস্থ্য।

তালের শাঁসে থাকা ক্যালসিয়াম হাঁড় গঠনে ভূমিকা রাখে। ভালো রাখে দাঁতও। এছাড়া তালের শাঁস শরীরের কোষের ক্ষয় প্রতিরোধ করে।

আয়রনের উৎস এই ফল। নিয়মিত খেলে তাই দূর হয়ে অ্যানিমিয়া বা রক্তশূন্যতার মতো সমস্যা।

এছাড়া তালশাঁসে রয়েছে ভিটামিন এ, যা দৃষ্টিশক্তিকে প্রখর করতে সাহায্য করে। শরীরের জন্য উপকারী ভিটামিন সি ও বি কমপ্লেক্স মেলে এতে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হয় ফলটি খেলে।

লিভারের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে তালের শাঁস। এটি লিভার থেকে ক্ষতিকর ও দূষিত পদার্থ বের করে দেয়।

ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া, চুল পড়া ইত্যাদি রোধ করতে তালশাঁসের ভূমিকা বেশ কার্যকরী।

About

Popular Links