• বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী ২৪, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:৪২ রাত

ইংরেজি বর্ষবরণ হয় না যেসব দেশে

  • প্রকাশিত ১০:২১ রাত ডিসেম্বর ৩১, ২০১৮
new year
ইংরেজি নববর্ষকে স্বাগত জানাচ্ছে মানুষ। ছবি: সংগৃহীত

মজার বিষয় হলো বেশ কয়েকটি দেশ ১ জানুয়ারি তারিখে নববর্ষ পালন করে না

গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী পুরনো বছরকে বিদায় জানিয়ে ২০১৯-কে স্বাগত জানাতে মুখিয়ে আছে পুরো বিশ্ব৷ স্থানীয় সময় রাত ১২টায় নতুন বছরকে স্বাগত জানাবে পুরো বিশ্বের মানুষ৷ এদিকে, ঘড়ির কাঁটায় এগিয়ে থেকে বেশ কয়েক ঘণ্টা নতুন বছরকে বরণ করে নিয়েছে নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া৷ তবে মজার বিষয় হলো বেশ কয়েকটি দেশ ১ জানুয়ারি তারিখে নববর্ষ পালন করে না৷

আরব দেশে ১ জানুয়ারিতে হিজরি অর্থাৎ নববর্ষ শুরু হয় না। ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলঙ্কা কিংবা তিউনিসিয়ায় নতুন বছর শুরু অগস্ট থেকে অক্টোবর মাসের মধ্যে। নভেম্বরে এবং মার্চ মাসে যথাক্রমে চীন আর ইতালিতে নববর্ষ শুরু হয়। 

অনেক দেশ গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারকে এখনও গ্রহন করেনি। এর মধ্যে রয়েছে- সৌদি আরব, নেপাল, ইরান, ইথিওপিয়া ও আফগানিস্তান। এসব দেশে ইংরেজি নববর্ষ পালন করা হয় না। আবার ইসরায়েল গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসরণ করলেও ইংরেজি নববর্ষ পালন করে না। আবার কিছু কিছু জাতি ও দেশের নিজস্ব নববর্ষ আছে। ইংরেজির পাশাপাশি তারা নিজের সেই কৃষ্টি আর সংস্কৃতিকেও ধরে রেখেছে মর্যাদার সঙ্গে। চীন এবং কয়েকটি ইহুদি ও মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ তাদের নিজ নিজ ক্যালেন্ডার অনুযায়ী নববর্ষ পালন করে থাকে। তবে এবারই প্রথম সৌদি আরবের কয়েকটি জায়গায় ইংরেজি নববর্ষকে স্বাগত জানাতে উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

ঐতিহাসিকদের মতে, এই যুগে আমরা যে ইংরেজি সাল বলি, সেটাই হচ্ছে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার। এটি সৌর বছর। নানা পরিবর্তন, পরিমার্জন, পরিবর্ধন, বিবর্তন ও যোগ-বিয়োজনের মধ্য দিয়ে বর্ষ গণনায় এই বর্তমান কাঠামোটি এসেছে। একসময় মানুষ চন্দ্র-সূর্য দেখে সময় হিসাব করলেও তারও আগে মানুষ বুঝতই না, সময় আসলে কী। ধারণাটা প্রথমে এসেছিল চাঁদের হিসাব থেকে। চাঁদ ওঠা ও ডুবে যাওয়ার হিসাব করে দিন, মাস ও বছরের হিসাব করা হতো। তারা চাঁদ ওঠার সময়কে বলত ক্যালেন্ডস, পুরো চাঁদকে বলত ইডেস, চাঁদের মাঝামাঝি অবস্থাকে বলত নুনেস। সিজার চাঁদের এই হিসাব বাদ দিয়ে মাসের দিন ও তারিখ ঠিক করেন। সৌর গণনার হিসাব আসে অনেক পরে।