• রবিবার, মার্চ ২৪, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:০১ রাত

একজন কুমিরপ্রেমি

  • প্রকাশিত ১০:০৪ রাত জানুয়ারী ৮, ২০১৯
কুমির আলবার্ট
বুরুন্ডির কুমিরপ্রেমি এনজেনডেরা আলবার্ট। ছবি: দ্য গার্ডিয়ান

তার ইচ্ছা, সামনে অনেক বেশি জায়গা নিয়ে কুমিরদের জন্য একটি অভয়ারণ্য বানানো

কথায় বলে জলে কুমির..ডাঙায় বাঘ। উভয় সঙ্কট বোঝাতেই এই প্রবাদের প্রচলন। কিন্তু জলের সেই বিপজ্জনক এবং হিংস্র প্রাণীটিকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করতে এগিয়ে এসেছেন একজন মানুষ। আফ্রিকা মহাদেশের বুরুন্ডির এনজেনডেরা আলবার্ট তেমনই এক কুমিরপ্রেমি।

দীর্ঘ ১২ বছর গৃহযুদ্ধের পর ২০০৫ সালে রাজনৈতিক স্থিরতা ফিরতে শুরু করে বুরুন্ডিতে। কিন্তু দারিদ্র্য জর্জরিত দেশটির মানুষ কুমির শিকার এবং পাচার করত অর্থের অভাবে।

কুমিরের প্রতি আলবার্টের ভালোবাসার ঘটনাটা আরও পুরনো। বিবিসি-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, "১৯৯৪ সালে প্রেসিডেন্ট নাদাদায়ের মৃত্যুর পর আমি যখন গাতুম্বায় যাই, তখন দেখলাম খাওয়ার জন্য কুমির মারা হচ্ছে। এতে আমি ভীষণ দুঃখ পাই এবং তাদের রক্ষা করতে চাই।"

এজন্য তিনি প্রথমে ২৮ মার্কিন ডলার দিয়ে একটি কুমির কেনেন তিনি। এরপর ধীরে ধীরে মোট ১২টি কুমির কিনে আনেন। এর মধ্যে প্রতিবেশিদের ছুঁড়ে দেওয়া পঁচা খাবার খেয়ে ৪টি মারা গেছে। প্রতিদিন সেগুলোকে পাঁচ থেকে দশ কেজি মাংস খাওয়াতে হয় বলে জানান আলবার্ট।

বাগানে থাকা কুমিরগুলো প্রজননক্ষম হওয়ায় ভবিষ্যতে আরও বড় জায়গার প্রয়োজন বলে জানান তিনি। তার ইচ্ছা, সামনে অনেক বেশি জায়গা নিয়ে কুমিরদের জন্য একটি অভয়ারণ্য বানানো।