• বুধবার, আগস্ট ২১, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৩ রাত

গরমে রোজা, কী খাবেন ইফতার ও সেহরিতে

  • প্রকাশিত ০৫:৩২ সন্ধ্যা মে ৭, ২০১৯
ইফতার
সংগৃহীত

গরমে প্রায় ১৪ ঘণ্টা রোজা রাখার পর ইফতার ও সেহরির মেনু এমনভাবে সাজানো প্রয়োজন যাতে সহজেই প্রয়োজনীয় পুষ্টিপূরণ হয় আবার শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি না হয় 

শুরু হয়েছে ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের বিশেষ সাধনার মাস রমজান। অন্যান্য সময়ের তুলনায় এ মাসে খাদ্যতালিকায় বেশ কিছু পরিবর্তন আসে। তবে মে মাসের তীব্র গরমে প্রায় ১৪ ঘণ্টা রোজা রাখার পর ইফতার ও সেহরির মেনু এমনভাবে সাজানো প্রয়োজন যাতে সহজেই প্রয়োজনীয় পুষ্টিপূরণ হয় আবার শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি না হয়। একইসাথে শরীরও পায় সতেজতা।

ফলমূল: ইফতারের সময় প্রচুর ফলের রস খাওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে মৌসুমী ফলের রস এবং ফল দিয়ে বানানো শরবত আপনাকে দিতে পারে সতেজতা। একই সাথে ভিটামিন ও মিনারেলের চাহিদাও পূরণ করে। খেতে পারেন খেজুর। এ ধরনের খাবার শরীরে প্রয়োজনীয় খাদ্য আঁশ জোগায়। 

কোমল পানীয়: প্রচণ্ড গরম থাকবে পুরো রমজান জুড়ে। সেক্ষেত্রে লেবুর শরবত, ডাবের পানি, লাচ্ছি, তোকমার শরবত, ইসুবগুলের ভুসির শরবত ও তাজা ফলের রসের মতো বেশ কয়েকধরনের পানীয় অবশ্যই রাখবেন আপনার খাদ্য তালিকায়। তবে ইফতার কিংবা সেহেরিতে কোনো সময়ই একবারে অতিরিক্ত পানি না খেয়ে ইফতার পরবর্তী সময় থেকে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত কিছুক্ষণ পরপর পানি খাওয়াই বেশি জরুরি।

সবজি: রমজান মাসে সবজি খুব কমই খাওয়ার সুযোগ হয়, তাই ইফতারে বেগুনীর পাশাপাশি রাখতে পারেন কোনো একটা সবজির পদ। বিশেষ করে মিষ্টি আলু রাখতে পারেন আপনার ইফতারে। এটি আপনার শরীরের ফাইবারের চাহিদা পূর্ণ করবে।

তেলে ভাজা এড়িয়ে চলুন: রোজার সময় অনেকেই ইফতারে তেলে ভাজা খাবার অতিরিক্ত খেয়ে ফেলেন। মনে রাখা দরকার, অতিরিক্ত ভাজাপোড়া খাবার আপনার শরীরের জন্য অনেক বেশি ক্ষতিকর। সেহেরিতে অনেকেই ভাত-তরকারি খেতে পছন্দ করেন না, সেক্ষেত্রে সেহেরির মেনুতে রাখতে পারেন দই-চিড়া। এর সাথে কলা মিশিয়ে নিলে খাবারের স্বাদ যেমন বাড়বে, তেমনি সারাদিন পাবেন বাড়তি শক্তি।

অতিরিক্ত প্রোটিন, আর নয়: অনেকেই রোজার সময় সারাদিন না খাওয়ার কারণে অনেকেই সেহরি কিংবা ইফতারে শরীরের সব আমিষের চাহিদা পূরণ করতে চায়। বিশেষ করে বিরিয়ানি বা মাংস জাতীয় ভারী খাবার অনেকের পছন্দের শীর্ষে। যেহেতু রোজা রাখায় দীর্ঘ একটা সময় কোনো কিছু খাওয়া হয় না, এজন্য হুট করে প্রোটিন বা অতিরিক্ত মশলাযুক্ত খাবার খেলে আলসার কিংবা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দেখা দিতে অচিরেই। এ ধরনের খাবার যতটুকু সম্ভব এড়িয়ে চলা যায় ততই মঙ্গল।