• শুক্রবার, নভেম্বর ১৫, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৬ রাত

সুবিশাল হ্রদ, লবণের উঁচু পাহাড় মিললো মঙ্গলে!

  • প্রকাশিত ০২:৫৭ দুপুর অক্টোবর ১১, ২০১৯
মঙ্গলগ্রহ
সুবিশাল হ্রদ, লবণের উঁচু পাহাড় মিললো মঙ্গলে! ছবি: সংগৃহীত

নাসার রোভারের কৌতূহলী চোখে ধরা পড়লো, সেই শুকিয়ে যাওয়া সুবিশাল হ্রদের খাত থেকে গা বেয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে আলো ঝলসানো লবণের পাহাড়। উচ্চতায় যা কম করেও ৫০০ ফুট

‘লাল গ্রহ’ মঙ্গলের অসম্ভব রুক্ষ লালচে পিঠে ঘুরে বেড়াতে গিয়ে নাসার রোভার ‘মিস কিউরিওসিটি’র চোখে পড়লো সুবিশাল একটি হ্রদের কঙ্কালসার দেহ! সাড়ে তিনশো কোটি বছর আগে যা ছিল টলটলে পানিতে ভরা। চওড়ায় যা ১৫০ কিলোমিটার।

নাসার রোভারের কৌতূহলী চোখে ধরা পড়লো, সেই শুকিয়ে যাওয়া সুবিশাল হ্রদের খাত থেকে গা বেয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে আলো ঝলসানো লবণের পাহাড়। খাওয়ার লবণ নয়, খনিজ লবণ। উচ্চতায় যা কম করেও ৫০০ ফুট। যেন প্ল্যাটিনামের ভাণ্ডার! বিজ্ঞানীদের বিশ্বাস, সেই লবণের পাহাড়ের খাঁজে খাঁজে এখনও লুকিয়ে রয়েছে প্রচুর পানি।

নাসার রোভার এমন সব নমুনা খুঁজে পেয়েছে লাল গ্রহের সেই ‘গেইল ক্রেটার’ এলাকায়, যা পরীক্ষা করে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, মঙ্গলে টলটলে পানি ভরা হ্রদটি ছিল অবিকল দক্ষিণ আমেরিকার আল্টিপ্ল্যানোতে লবণাক্ত কুইসকুইরো হ্রদের মতোই!

নাসার বিজ্ঞানীদের এই গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান-জার্নাল ‘নেচার-জিওসায়েন্স’-এ।

মঙ্গলের রুখুসুখু পিঠে সেই প্রাচীন হ্রদের পানি যে লবণাক্ত ছিল, তারও প্রমাণ পেয়েছেন নাসার বিজ্ঞানীরা। রোভার ‘কিউরিওসিটি’ সেই হ্রদের খাত থেকে গা বেয়ে লবণের পাহাড়কে মাথা উঁচিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছে। উচ্চতায় যা ৫০০ ফুট বা ১৫০ মিটার। নাসা সেই এলাকার নাম দিয়েছে ‘সাট্‌ন আইল্যান্ড’। রোভার কিউরিওসিটি যে এলাকা ঘুরে বেরিয়েছিল বছরদু’য়েক আগে।

বিভিন্ন সময়ে মঙ্গলের বুকে গ্রহাণু, উল্কাপিণ্ড আর ধূমকেতুরা আছড়ে পড়ার ফলেই তৈরি হয়েছিল সেই গেইল ক্রেটার এলাকা। যা মূলত ছিল সুবিশাল গহ্বর। পরে পানির স্রোত এসে ভরিয়ে দেয় গহ্বর। পরে বাতাসের ঠেলায় ওই এলাকায় জন্ম হয় মাউন্ট শার্পের মতো সুউচ্চ পর্বতশৃঙ্গ।