• সোমবার, ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:১১ দুপুর

শীতে শ্বাসকষ্ট ঠেকাতে মেনে চলুন এসব নিয়ম

  • প্রকাশিত ০৮:০৪ রাত নভেম্বর ২৫, ২০১৯
হাঁপানি
ছবি: সংগৃহীত

কুয়াশা, ধোঁয়া, রাসায়নিকের উপস্থিতি, বিশেষ কোনও গন্ধ, গ্যাস, ধুলা ইত্যাদি থেকে অ্যাজমা বাড়তে পারে। তবে সম্পূর্ণ নিরাময় না হলেও কিছু বিশেষ নিয়মে তাকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়

শীত প্রায় দোরগোড়ায়। ঋতু পরিবর্তনের সব আয়োজন শেষে জাঁকিয়ে বসছে আবহাওয়া বদলের অসুখ-বিসুখও। এমনসময় থেকেই ভয় তাড়া করে অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগীদের। শীত আসতে না আসতেই বাড়তে থাকে বুকেব্যথা ও শ্বাসকষ্ট।

কিছু বিষয়ে সচেতন না হলে এই অসুখ যেকোনও সময় বেড়ে যেতে পারে। কুয়াশা, ধোঁয়া, রাসায়নিকের উপস্থিতি, বিশেষ কোনও গন্ধ, গ্যাস, ধুলা ইত্যাদি থেকে অ্যাজমা বাড়তে পারে। তবে সম্পূর্ণ নিরাময় না হলেও কিছু বিশেষ নিয়মে তাকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

• অফিস শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত হলে অবশ্যই কান-মাথা ঢেকে বসুন। গায়ে রাখুন পাতলা চাদর। শীতে শোওয়ার সময়ও কান-মাথা ঢেকে ঘুমান। ঘাম হচ্ছে কি না খেয়াল রাখুন। ঘাম হলে গরম পোশাক খুলুন। ঘাম বসে ঠাণ্ডা লাগলেও বিপদ বাড়বে।

• হাতের কাছেই থাক ইনহেলার। যখন-তখন কাজে আসতে পারে।

• গরম চা হাঁপানির টানে উপশমের কাজ করে। তবে দুধ চা একেবারেই খাবেন না। অ্যাসিড রিফ্লাক্স বাড়িয়ে দেয় হাঁপানির টান। চলতে পারে গ্রিন টি বা লিকার চা।

• পশু-পাখির রোমে অ্যালার্জি থাকলে ঋতুবদলের সময় পোষ্যদের সঙ্গও এড়িয়ে চলতে হতে পারে।

• ঠাণ্ডা লেগেছে বুঝলেই চিকিৎসকের কাছে যান। অল্প সর্ষের তেল হাতের তালুতে নিয়ে বুকে মাসাজ করলেও কিছুটা আরাম পাবেন।

• ইউক্যালিপটাস তেল হাঁপানিতে খুব কার্যকর। গরম পানিতে দু‍‌'ফোটা এই তেল ফেলে ভেপার নিলে উপশম পাওয়া যায়

• ঠাণ্ডা পানীয়, আইসক্রিম, ফ্রিজে পাতা দই না খেয়ে বরং গরম গরম স্যুপ খান। এতে উপকার পাবেন।

• হাঁপানির টান উঠলে পিঠে বালিশ রেখে আধশোয়া হয়ে থাকলে খানিকটা আরাম পাবেন।

• কিছু কিছু ব্যায়ামে নিয়ন্ত্রণে থাকে অসুখ। বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে সেই সব ব্যায়াম রপ্ত করুন।