• সোমবার, জানুয়ারী ২০, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩৪ সকাল

দ্রুত ওজন কমাবে যেসব ফল!

  • প্রকাশিত ০৪:৪০ বিকেল ডিসেম্বর ১৪, ২০১৯
পেয়ারা
পিক্সাবে

যদি প্রতিদিন চারবার ফল খাওয়া যায়, তবে অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণের মাত্রা কমে। এভাবেই ওজন কমাতে সাহায্য করে ফল!

স্বভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত ওজনে শরীরে বাসা বাঁধতে পারে অনেক রোগ। তাই অতিরিক্ত ওজন থাকলে তা অবশ্যই কমিয়ে ফেলাই বুদ্ধিমানের কাজ। আর ওজন কমাতে অনেকেই হিসশিম খেয়ে যান, দ্বারস্থ হন চিকিৎসকের। তবে, খুব সহজেই পরিচিত কয়েকটি ফল খাওয়ার মাধ্যমেই কমিয়ে ফেলতে পারেন বাড়তি ওজন।

বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পূর্ণ থাকে ফল। একজনের খাওয়ার পরিমাণে ফল যদি প্রতিদিন চারবার খাওয়া যায়, তবে অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণের মাত্রা কমে। এভাবেই ওজন কমাতে সাহায্য করে ফল। 

আসুন জেনে নিই যেসব ফল খেলে ওজন কমে। 

কলা

উচ্চমাত্রায় ক্যালরি ও শর্করা থাকার কারণে ওজন কমাতে অনেকে কলা খাওয়া এড়িয়ে যান। তবে, পুষ্টি উপাদনে ভরপুর কলা দেহের ওজন কম রাখতে সাহায্য করে।

পেয়ারা

উচ্চ ফাইবার যুক্ত এই ফল কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে যেমন কাজে আসে, তেমনই এর গ্লাইসেমিক রেট নিম্ন মানের হওয়ায় ওজন কমাতে খুবই কার্যকর। একটি মাঝারি মাপের পেয়ারায় থাকে ৩৭ ক্যালোরি। এই ফল থেকে একটুও কোলেস্টেরল পাওয়া যায় না। তাই ওজন কমাতে এই ফলের ওপর আস্থা রাখেন পুষ্টিবিদরা।

তরমুজ

পানিসমৃদ্ধ ফল তরমুজে ক্যালরির পরিমাণও কম। এক কাপ অর্থাৎ ১৫০ থেকে ১৬০ গ্রাম তরমুজ থেকে মিলবে মাত্র ৪৬ থেকে ৬১ ক্যালরি।

কমলা

কমলায় ভিটামিন “সি” সমৃদ্ধ ও ক্যালরি কম। আর এটি অনেকক্ষণ পেটভরা রাখতে সাহায্য করে। ফলে ওজন কমে।

নাশপাতি

ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, নাশপাতিতে রয়েছে ফ্লাভানয়েড পলিমারস, যা ওজন নিয়ন্ত্রণ করে। প্রতি ১৩৮ মি.গ্রা. বাড়তি ফ্লাভানয়েড পলিমারস ওজন কম হারে বাড়ায়।

আপেল

উচ্চ আঁশ ও ফ্লাভানয়েড পলিমারস সমৃদ্ধ, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে; যা রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকলে তা ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস হওয়া থেকে রক্ষা করে।

ক্যাপসিকাম

প্রতিদিন ক্যাপসিকাম খাওয়া হলে তা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে। ক্যাপসাইসিন দেহের বাদামি ও জমাট চর্বিকে শক্তি হিসেবে পোড়াতে শ্বেত রক্তকণিকাকে অনুপ্রাণিত করে।

স্ট্রবেরি

মাত্র ১৫০ গ্রাম স্ট্রবেরি থেকে পাওয়া যায় ৫০ ক্যালোরি। এই ফল ওজন কমায়। শুধু তাই নয়, রক্তচাপ কমানো ও প্রদাহ রুখতেও এটা বেশ কার্যকর।