• শুক্রবার, এপ্রিল ০৩, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩৭ রাত

এবার ক্যান্সার সনাক্ত করবে কুকুর!

  • প্রকাশিত ০২:১৯ দুপুর ডিসেম্বর ১৫, ২০১৯
কুকুর
সংগৃহীত

গবেষকদের দাবি, ৯৭ শতাংশ ক্ষেত্রেই নির্ভুলভাবে ক্যান্সার সনাক্ত করতে পারে কুকুর। তবে সেজন্য তাদের সুনির্দিষ্ট প্রশিক্ষণের প্রয়োজন

ক্যান্সার বা কর্কটরোগ অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজন সংক্রান্ত রোগসমূহের সমষ্টি। এখন পর্যন্ত এই রোগে মৃত্যুর হার অনেক বেশি। কারণ প্রাথমিক অবস্থায় ক্যান্সার রোগ সহজে ধরা পড়ে না। ফলে শেষপর্যায়ে গিয়ে ভালো কোন চিকিৎসা দেওয়াও সম্ভব হয় না।

চিকিৎসকদের মতে, ক্যান্সার যদি প্রাথমিক স্তরে সনাক্ত করা যায় তাহলে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা থাকে। তবে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ক্যান্সার ধরা পড়ে তৃতীয় বা চতুর্থ পর্যায়ে। এই পরিস্থিতিতে ক্যান্সারের চিকিৎসা বা মোকাবেলা করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।

সম্প্রতি এক গবেষণায় প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যান্সার সনাক্ত করার ক্ষেত্রে সহায়ক হিসেবে অবিশ্বাস্যভাবে নাম ্ঠউ এসেছে কুকুরের। শুনতে অবাক লাগলেও কুকুরের তীব্র ঘ্রাণশক্তি প্রাথমিক পর্যায়েই ক্যান্সার শনাক্ত করতে সক্ষম বলে দাবি করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার “আমেরিকান সোসাইটি ফর বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজি”র গবেষকরা।

গবেষকদের দাবি, ৯৭ শতাংশ ক্ষেত্রেই নির্ভুলভাবে ক্যান্সার সনাক্ত করতে পারে কুকুর। তবে সেজন্য তাদের সুনির্দিষ্ট প্রশিক্ষণের প্রয়োজন। দীর্ঘদিন ধরে গবেষণার পর এবিষয়ে প্রমাণ পেয়েছেন তারা।

এই পরীক্ষার জন্য চারটি বিরল প্রজাতির কুকুরকে বিশেষভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন প্রশিক্ষণ দেওয়ার পর ম্যালিগন্যান্ট লাং (ফুসফুসের ক্যান্সার) ক্যান্সারে আক্রান্তদের রক্তের সিরাম ও সম্পূর্ণ সুস্থ ব্যক্তিদের রক্তের সিরামের মধ্যে পার্থক্য করতে সক্ষম হয় ওই কুকুরগুলো।

গবেষকদলের প্রধান অধ্যাপক হিথার জ্যানকুয়েরা জানান, কুকুরের ঘ্রাণশক্তি মানুষের তুলনায় ১০ হাজার গুণ বেশি শক্তিশালী। তাই এই পদ্ধতিতে কুকুরের ঘ্রাণশক্তি কাজে লাগিয়ে যদি প্রাথমিক পর্যায়েই রোগটিকে শনাক্ত করা যায়, সেক্ষেত্রে ক্যান্সার সারিয়ে রোগীর বাঁচার সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যাবে। কারণ ক্যান্সার যত দ্রুত ধরা পড়বে, এ রোগের চিকিৎসা করাও ততই সহজ হবে।