• শনিবার, এপ্রিল ০৪, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩৫ রাত

যেসব ভুলে চুল পড়ে!

  • প্রকাশিত ০৩:১৪ বিকেল ডিসেম্বর ২৯, ২০১৯
চুল
সংগৃহীত

বিশেষজ্ঞদের মতে, চুল পড়ার জন্য শারীরিক অসুস্থতার পাশাপাশি আমাদের কিছু বদভ্যাসও সমানভাবে দায়ী 

শীতে শরীরের পাশাপাশি চুলেরও বাড়তি যত্ন নিতে হয়। শীতের শুষ্ক আবহাওয়ায় চুল হয়ে পড়ে রুক্ষ। এসময় শুকনো খুশকি বেশি দেখা যায়। ঠাণ্ডার কারণে অনেকেই নিয়মিত শ্যাম্পু করতে চান না। অথচ অপরিচ্ছন্নতার কারণেই চুলপড়া ও চুলের অন্যান্য সমস্যা দেখা দেয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চুল পড়ার জন্য শারীরিক অসুস্থতার পাশাপাশি কিছু বদভ্যাসও সমানভাবে দায়ী। যেমন-

 ১. গরমপানি  

অনেকেই শীতে চুল গরমপানিতে ভেজান। এটা চুলের জন্য অনেক বেশি ক্ষতিকারক। গরমপানিতে ধুলে চুল থেকে প্রচুর প্রাকৃতিক তেল ও পুষ্টি বের হয়ে যায়। তাই শীতকালে শ্যাম্পু করা বা চুল ধোয়ার সময় স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি ব্যবহার করুন। 

২. অতিরিক্ত শুকনো শ্যাম্পু ব্যবহার 

ঘন ঘন ড্রাই শ্যাম্পু ব্যবহার করলে মাথার তালুর স্বাভাবিত তৈলাক্তভাব নষ্ট হয়ে যায়। এতে চুলের গোড়া শুষ্ক হয়ে যায়। সেই সঙ্গে চুল পড়াও বেড়ে যায়।

৩. তোয়ালে ব্যবহার 

আমরা চুল ও শরীর শুকানোর জন্য একই গামছা ব্যবহার করি। যা চুলের জন্য খুবই ক্ষতিকর। চুল শুকানোর জন্য মাইক্রোফাইবার তোয়ালে ব্যবহার করতে পারেন। অথবা নরম পুরানো সুতির কাপড় বা টি-শার্ট ব্যবহার করতে পারেন।

৪.ভেজা চুল আচঁড়ানো 

চুল যখন ভেজা থাকে তখন চুল অনেক বেশি ভঙ্গুর হয়ে যায়। ফলে ভেজা চুল আচঁড়ালে ও টাওয়েল দিয়ে চুল জোরে জোরে ঘষা দিলে চুল ঝরে পড়তে পারে। তাই ভেজা চুল মোছার ক্ষেত্রে সাবধান থাকুন।

৫. চুল টেনে বাঁধা

সুন্দর হেয়ারস্টাইলের জন্য অনেকেই টেনে শক্ত করে চুল বাঁধতে পছন্দ করেন। অত্যধিক টেনে বাধাঁর ফলে চুলের গোড়া দুর্বল হয়ে পড়ে ও চুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে চুল উঠা রোগ “অ্যালোপেসিয়া” হতে পারে।

৬. চুলে অতিরিক্ত ক্যামিকেল ব্যবহার করা

দীর্ঘসময় চুলে ক্যামিকেলসমৃদ্ধ রঙ ব্যবহার করলে চুল হয়ে যায় প্রাণহীন ও ভঙ্গুর। চুল এতটাই ভঙ্গুর হয়ে পড়ে যে সামান্য আচঁড়াতে গিয়েই ভেঙ্গে পড়ে।

৭. সূর্যের আলো 

যারা বেশি সময় সূর্যের আলোয় থাকেন তাদের ক্ষেত্রে চুল খুব রুক্ষ হয় ও তাড়াতাড়ি পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সূর্যের তাপে চুলের গোড়ায় থাকা আর্দ্রতা উবে যায় ফলে চুল শুষ্ক ও দুর্বল হয়ে পড়ে যায়।  

কিছু খাবেরর মাধ্যমেও চুল পড়া রোধ করা যেতে পারে- 

সবুজ শাকসবজি 

পালংশাক, বাঁধাকপি ও ব্রকলি ভিটামিন, মিনারেলস (খনিজ) ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সব চাইতে ভাল উৎস।এই খাবারগুলো প্রতিদিন খেতে পারেন। এসব খাবার চুলের গোড়া মজবুত করে। এছাড়া চুল পড়া কমায়।

মাছ

সামুদ্রিক মাছ ও ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে এমন মাছ খেতে পারেন। এসব মাছ আপনার চুল পড়া বন্ধে সাহায্যে করবে।সপ্তাহে ৩-৪ দিন ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ মাছ খেলে চুল পড়া বন্ধ হবে।

গাজর 

গাজর একটি সুস্বাদু সবজি যা হাতের কাছেই পাওয়া যায়। গাজর দেহের রোগপ্রতিরোধ বৃদ্ধি করে চুল ও ত্বকের যত্ন নেয়। গাজরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে বেটা ক্যারোটিন ও ভিটামিন এ। যা চুলের গোঁড়ায় প্রাকৃতিক তেল তৈরি করে। যা চুলের গোঁড়া মজবুত করে চুল পড়া কমায়।