• রবিবার, এপ্রিল ০৫, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:২৮ রাত

শরীরের নিকোটিন দূর করবে এই পাঁচ খাবার!

  • প্রকাশিত ০৮:৩৩ রাত জানুয়ারী ৮, ২০২০
গাজর
পিক্সাবে

সিগারেটের মূল উপাদান নিকোটিন উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে, যা নার্ভ ও পেশির সেল ব্লক করে দেয়। ফলে এরা ঠিকভাবে কাজ করতে পারে না

বৈজ্ঞানিকভাবে ধূমপানের ক্ষতিকর দিকগুলো প্রমাণ হওয়ার পরও মানুষ ধূমপান করছে। ধূমপান ত্যাগ করা অসাধ্য কিছু নয়। এর জন্য আপনার মনের ইচ্ছাটা যথেষ্ট। শুধু ধূমপান ছাড়লেই হবে না, এতদিনের এই অভ্যাসের ফলে শরীরে জমে আছে নিকোটিন। এই নিকোটিনও দূর করতে হবে। 

সিগারেটের মূল উপাদান নিকোটিন। নিকোটিন উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে, যা নার্ভ ও মাসেল সেল ব্লক করে দেয়। ফলে এরা সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। নিকোটিন হৃদস্পন্দন, রক্তচাপ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়।

এমন কিছু খাবার আছে, যা খেলে শরীর থেকে সহজেই নিকোটিন বের হয়ে যাবে। জেনে নিন সেই খাবারগুলো সম্পর্কে।

ব্রোকলি

ব্রোকলিতে উচ্চ মাত্রার ভিটামিন বি-৫ ও ভিটামিন সি থাকে। বি ভিটামিন শরীরের অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। ব্রোকলি খেলে মেটাবোলিজম বৃদ্ধি পায় এবং ফুসফুসকে টক্সিন থেকে রক্ষা করে। ব্রোকলিতে NRF2 জিন থাকে৷ যা ফুসফুসের কোষকে আক্রমণ থেকে রক্ষা করে।

কমলা

কমলা শক্তিশালী সাইট্রাস ফল, নিকোটিন ভিটামিন সি হ্রাস করে। কমলা খেলে ভিটামিন সি-এর স্তর পরিপূর্ণ হয় এবং স্ট্রেস ও উদ্বিগ্নতা কমে।

পালংশাক

গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, ধূমপায়ীদের ফলিক অ্যাসিডের সরবরাহ কম থাকে। এই অ্যাসিড মাংসপেশি, স্নায়ু ও মস্তিষ্ক ঠিক রাখার জন্য প্রয়োজন। সৌভাগ্যক্রমে পালংশাকে প্রচুর পরিমাণে ফলিক অ্যাসিড থাকে। পালংশাক ভিটামিনে ভরপুর এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান থাকে৷ যা সার্বিক স্বাস্থ্যের ভারসাম্য রক্ষা করে। অনেকেই হয়তো জানে না যে, পালংশাক খেলে স্মোকিংয়ের স্বাদ নষ্ট হয়! ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগ করতে চাইলে, পালংশাক খেতেই হবে৷

গাজর

ধূমপান ছাড়ার জন্য গাজর অনেক উপকারী। গাজরের জুস খেলে কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায় বেশি। প্রতিদিন এক কাপ গাজরের জুস পান করলে শরীর ভিটামিন এ, বি, সি ও কে দিয়ে পরিপূর্ণ হবে। যা শরীর থেকে নিকোটিন বের করে দিতে সাহায্য করে।

পানি 

নিকোটিনের দ্বারা শরীরের অভ্যন্তরের যে ক্ষতি হয় তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে পানি। আপনি কি জানেন নিকোটিন আপনাকে পানিশূন্য করে? প্রতিদিন কমপক্ষে ৮ গ্লাস পানি পান করলে শরীর রিহাইড্রেট হয় এবং মেটাবোলিজম বৃদ্ধি পায় যারফলে শরীর থেকে বিষাক্তদ্রব্য বের হয়ে যায়।