• মঙ্গলবার, এপ্রিল ০৭, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:১০ সকাল

ত্রিশের পর অবশ্যই এড়িয়ে চলবেন যেসব খাবার

  • প্রকাশিত ০৪:০৯ বিকেল জানুয়ারী ৯, ২০২০
খাবার
সংগৃহীত

বয়স ৩০ পার হওয়ার পর শরীরের দরকার একটু বাড়তি যত্ন। কারণ, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের শরীরের রোগ সংক্রমণের আশংকাও বাড়ে

খাদ্যদ্রব্য মানুষের জীবনের ভিত্তি ও প্রধান অবলম্বন। ভালো খাওয়া দাওয়া ভালো স্বাস্থ্য, কর্মসামর্থ্য ও দীর্ঘ পরমায়ু লাভের উপায়।আমাদের দৈনিক কাজকর্ম, চিন্তাভাবনা ও শারীরিক পরিশ্রমের জন্য দেহের ক্ষয় হয়। খাদ্য সেই ক্ষয় পূরণ করে। তাই দেহের পুষ্টির জন্য খাদ্য একান্ত প্রয়োজন।

আমাদের বয়স যখন ২০ এর কোঠায়, তখনকার সময়টাই যেন সবচেয়ে ভালো, যা খুশি তাই-ই খাওয়া যায়। তবে, বয়স ৩০ পার হওয়ার পর শরীরের দরকার একটু বাড়তি যত্ন। কারণ বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের শরীরের রোগ সংক্রমণের আশংকাও বাড়ে। তাই এসময় থেকেই এমনভাবে খাদ্যতালিকা সাজাতে হয়, যেখানে শরীর ও ত্বকের উপযোগী খাবার তো থাকবেই, পাশাপাশি কিছু খাবার ছাঁটাই করতে হয় খাদ্যাভ্যাস থেকে।

আসুন জেনে নেই বয়স ৩০-এর পর থেকে যেসব খাবার গ্রহণ থেকে দূরে থাকতে হবে-

চাষ করা মাছ

বাজারে ৭০ শতাংশ মাছ আসে চাষের। এসব মাছ দ্রুত বড় করতে যেসব খাবার খাওয়ানো হয়, সেসবের অধিকাংশ স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। শরীরের প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করতে নদীর কিংবা সামুদ্রিক মাছ খাওয়া ভালো।

সাদা পাউরুটি

ছোটবেলায় সাদা পাউরুটি খেয়ে সকাল শুরু করতেন কিন্তু বয়স ৩০ হলে এসব খাবার এড়িয়ে চলা ভালো। এতে ফাইবারের মাত্রা একেবারেই কম। খাবার হজম করতে এবং সুস্থ থাকতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে এমন খাওয়া দরকার।

ফলের জুস

ফলের চেয়ে ফলের জুস খেতে বেশি স্বাদ। তবে জুসের চেয়ে ফল বেশি স্বাস্থ্যকর খাবার। জুস করার কারণে ফাইবারের পরিমাণ কম খাওয়া হয়। জুস করার করতে গিয়ে তাপে ফলের বিভিন্ন উপাদানের পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়। এছাড়া বাণিজ্যিকভাবে যেসব জুস তৈরি করা তাতে স্বাদ বৃদ্ধি করতে চিনি মেশানো হয়। চিনি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

বেকারি পণ্য ও জাংক ফুড

দোকান থেকে যেসব বেকারি পণ্য কেনা হয় সেসব খাবারে প্রচুর পরিমাণে রাসায়নিক পদার্থ থাকে। এসব রাসায়নিক পদার্থ শরীরের জন্য ক্ষতিকর। তাই সুস্থ থাকতে নিজেই ওভেনে এসব খাবার তৈরি করে নিন। এছাড়া জাংক ফুড একেবারেই খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিন।

কোলা

কোলা ছাড়া যাদের একদিনও চলে না, তারা বয়সের ঘড়িটায় চোখ বুলিয়েছেন কি? বয়স ৩০-এর পর খাদ্যতালিকা ও খাদ্যাভ্যাসের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। কোলা তৈরিতে ব্যবহার করা হয় ক্যান্সার উৎপাদনকারী উপকরণ। তাছাড়া এতে থাকে প্রচুর পরিমাণে চিনি।

আইসড কফি 

সারাদিন সূর্যরশ্মির কারণে ত্বকের যে ক্ষতি হয়, তার অনেকটাই ঠিক হয়ে যায় রাতে ঘুমানোর সময়। কিন্তু গরমে আরাম পেতে যখন আইসড কফি পান করা হয়, তখন ক্ষতি হয় দু’ভাবে।

ফ্লেভার দেওয়া দই

বয়স ৩০-এর পর কোলাজেন ধীরগতিতে উৎপন্ন হয়। কমে যায় ত্বকের এলাস্টিসিটি। ফ্লেভার দেওয়া দইয়ে চিনির মাত্রা বেশি থাকে বিধায় তা ত্বকের পক্ষে ক্ষতিকর। অতিরিক্ত চিনি খেলে ত্বকে বলিরেখা পড়ে। তাই এসময় থেকেই চিনি গ্রহণের মাত্রা কমিয়ে দিতে হবে, যাতে ত্বক টানটান ও বলিরেখামুক্ত রাখা সহজ হয়।