• বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ০২, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫১ রাত

সানস্ক্রিন বনাম সানব্লক!

  • প্রকাশিত ০৩:১৬ বিকেল জানুয়ারী ২১, ২০২০
রূপচর্চা
সংগৃহীত

অনেকের একটা ভুল ধারণা রয়েছে যে সানব্লক ও সানস্ক্রিন একই জিনিস। তবে, সানব্লক ও সানস্ক্রিন একই কাজে ব্যবহৃত হয় কিন্তু এদের কাজ করার ধরন আলাদা

সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে হতে পারে ত্বকের ক্যান্সার। শুধু তাই নয় আমাদের দেশের আবহাওয়ায় সানবার্ন একটি পরিচিত ব্যাপার। কিছুসময় রোদে থাকার ফলে যে সানবার্ন হয় তা আপনার ত্বকের ক্ষতি তো করছেই সাথে ত্বককে করে ফেলছে কালচে বর্ণের। আর এর থেকে নিস্তার পেতে সানস্ক্রিন অথবা সানব্লক ব্যবহার করে থাকি আমরা। তবে এর ভুল ব্যবহার হয়তো আপনার ত্বকের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। 

সানস্ক্রিন ও সানব্লকের পার্থক্য

অনেকের একটা ভুল ধারণা রয়েছে যে সানব্লক ও সানস্ক্রিন একই জিনিস। তবে, সানব্লক ও সানস্ক্রিন একই কাজে ব্যবহৃত হয় কিন্তু কাজ করার ধরন আলাদা। সানস্ক্রিন ত্বকের উপর প্রলেপ তৈরি করে, একারণে অতি বেগুনি রশ্মি ত্বকের ভিতরে যেতে পারে না। সানস্ক্রিনে যেসব উপাদান থাকে তা সানব্লকে থাকে না। 

অন্যদিকে, সানব্লক সূর্যরশ্মি প্রতিফলিত করে বলে রশ্মি ত্বক পর্যন্ত যেতে পারে না। 

বলা যেতে পারে, সানব্লক অপেক্ষা সানস্ক্রিন ব্যবহার করা ত্বকের জন্য ভালো।

সঠিক সানস্ক্রিন নির্বাচন করুন  

সানস্ক্রিন কেনার আগে SPF নম্বর দেখা খুব জরুরি | এই সংখ্যা দিয়ে বোঝা যাবে কতক্ষণ সানস্ক্রিন ইউভি রশ্মি থেকে রক্ষা করতে পারবে | সান প্রোটেকশন ফ্যাক্টর বিভিন্ন নম্বরে আসে যেমন SPF 15, SPF 30, SPF 45 এবং SPF 60| তবে মনে রাখতে হবে কোন সানস্ক্রিনই ১০০% প্রোটেকশন দিতে পারে না | তবে যারা অনেক্ষণ বাইরে থাকেন তারা বেশি এসপিএফ যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন 

সানস্ক্রিন ব্যবহারের নিয়ম

১. সানস্ক্রিন মাখার আগে অবশ্যই ফেসওয়াস দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। তারপর নরম তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছে নিন। মুখের ত্বক একটু যেন ভেজা ভেজা থাকে।

২. সরাসরি সানস্ক্রিন মাখবেন না। সানস্ক্রিন মাখার আগে অল্প করে ময়েশ্চারাইজার মেখে নিন। এতে ত্বকে আর্দ্রতা বজায় থাকবে।

৩. রোদে বের হওয়ার অন্তত আধঘণ্টা আগে সানস্ক্রিন মাখুন।

৪. প্রয়োজনে ব্যাগে রাখুন সানস্ক্রিন৷ প্রতি দুইঘণ্টা পর মেখে ফেলুন।

৫. ৫০ শতাংশ এসপিএফ যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।

বাজারে বিভিন্ন ধরনের সানস্ক্রিন পাওয়া যায়। এগুলোর মধ্যে আপনাকে ত্বকের ধরন অনুযায়ী বাছাই করে নিতে হবে। 

আপনার ত্বক যদি শুষ্ক হয় তাহলে ক্রিমটাই আপনার জন্য ভালো। 

তৈলাক্ত ত্বকের জন্য লোশন ব্যবহার করতে পারেন। অতিরিক্ত তৈলাক্ত ত্বক যাদের তারা অয়েল ফ্রি লোশন অথবা সানব্লক পাউডার ব্যবহার করতে পারেন।