• সোমবার, এপ্রিল ০৬, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৫:৫১ সন্ধ্যা

সাধারণ সর্দি-কাশি, ফ্লু নাকি করোনাভাইরাস!

  • প্রকাশিত ০২:৪৬ দুপুর ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২০
করোনাভাইরাস-উহান
চীনের উহান বিমানবন্দরে যাত্রীদের পরীক্ষা করছেন এক স্বাস্থ্যকর্মী। এএফপি

জেনে নিন সাধারণ সর্দি-কাশি কিংবা ও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ সম্পর্কে

করোনা ভাইরাস নিয়ে তোলপাড় সারাবিশ্ব। শুরুটা চীনে হলেও করোনার থাবা দেখা যাচ্ছে বিশ্বজুড়েই। ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, সিঙ্গাপুর, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান, নেপাল, মালয়েশিয়াতেও। সংক্রমণ ছড়িয়েছে ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রেও। কিন্তু করোনাভাইরাসে যে আক্রান্ত আপনি, তা বুঝবেন কীকরে, সেসম্পর্কে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এইসময়।

করোনাভাইরাসে সাধারণ লক্ষণ

জ্বর, শুকনো কাশি, নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট, পেশিতে যন্ত্রণা, ক্লান্তি

সাধারণ করোনভাইরাস লক্ষণ

বুকে কফ জমে যাওয়া, মাথা ব্যথা, হেমোটাইসিস, ডায়ারিয়া

যে লক্ষণগুলি থাকলে বুঝবেন সাধারণ সর্দি-কাশি

যেহেতু করোনাভাইরাস লোয়ার রেসপিরেটরি ট্র্যাক্টে হামলা করে তাই এই ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর শুকনো কাশি, নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট, নিউমোনিয়া দেখা দিতে পারে। কিন্তু কোনওভাবেই গলায় ব্যথা থাকবে না।

ফ্লু ও ঠাণ্ডা লাগার মধ্যে পার্থক্য

সাধারণ ঠাণ্ডা, গলা খুসখুস করার পাশাপাশি নাক দিয়ে জল পড়া এবং কাশির মতো লক্ষণ দেখা দেবে। সঙ্গী হতে পারে মাথাব্যথা ও সামান্য জ্বর। বেশ কয়েকদিন ভোগায় রোগীদের।

অন্যদিকে ফ্লু হলে মাথা ও গা-হাত-পায়ে ব্যথা, শুকনো কাশি, গলা ভাঙাস গলায় ব্যথা ও প্রচণ্ড জ্বরে কাবু হয়ে যাবেন রোগী। জ্বর কখনও কখনও ১০৫ ডিগ্রি ফ্যারেনহাইটও ছাড়াতে পারে। কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে।

সাধারণ ঠাণ্ডা লেগে জ্বর হলে দু-তিন দিনের মধ্যেই তা কমে যায়। একসপ্তাহের মধ্যে রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যান। অন্যদিকে ফ্লু হলে জ্বর কমতেই অন্তত একসপ্তাহ সময় লেগে যায়। সম্পূর্ণ সুস্থ হতে বহুদিন সময় লাগে।