https://bng-media.dhakatribune.com/?width=undefined&height=undefined&quality=90&image=/uploads/2020/01/edited-home-minister-1579448400560.jpg

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সিনহা হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন কীভাবে প্রকাশ পেল জানা নেই

ইউএনবি

বাংলাদেশ

মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তদন্ত প্রতিবেদন কীভাবে পত্রিকায় প্রকাশ পেল সেটা জানেন না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

তিনি বলেন, “এ প্রতিবেদন কীভাবে প্রকাশ পেল সেটা আমার জানা নেই। এটা কতখানি সত্য বা কতখানি সত্য নয় এটা আমরা এখন বলতে পারব না, আমরা যেহেতু পড়িনি। আমরা পড়ব তারপর বলব এটা সত্য কি না।”

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, “এটা যে প্রকাশ করেছেন বা তথ্য সরবরাহ করেছেন, আমি মনে করি কাজটি সঠিক করেননি।”

যে পত্রিকা প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, “আমরা এখনও তা চিন্তা করছি না। একটি পত্রিকা যেহেতু লিখেছে তাই প্রসঙ্গটা প্রকাশ পেয়েছে। আমরা দেখব এর সত্যতা কতখানি এবং কার মাধ্যমে তারা পেয়েছেন। এছাড়া বিচারের আগেই কেন তারা এটা প্রকাশ করলেন এটা আমাদের জানার বিষয় থাকবে। যারা প্রকাশ করেছেন সঠিক করেননি।”

ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে সে জন্য বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে বলে জানান তিনি।

তদন্ত প্রতিবেদন সম্পর্কে জানতে চাইলে বিষয়টি আদালতের ব্যাপার বলে এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি মন্ত্রী।

তিনি বলেন, “সম্প্রতি আমাদের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি এ প্রতিবেদন পর্যালোচনা করবে। পরে আমরা কী করব সে সিদ্ধান্ত নেব। এটা তদন্তাধীন ও বিচারাধীন মামলা। বিচারক যদি মনে করেন তাদের বিচারকার্যে এ প্রতিবেদন প্রয়োজন, যদি তারা চান তাহলে আমরা এটা তাদের দেব। না চাইলে আমরা তাদের কাছে দিচ্ছি না।”

প্রতিবেদনটি যাতে নিরপেক্ষ হয় সে জন্য যত ধরনের প্রচেষ্টা সেটা নেয়া হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, “বর্তমানে কোর্টের নির্দেশে র‌্যাব তদন্ত করছে। তাদের প্রতিবেদনের আগে কোনো প্রতিবেদন বের হয়ে সেই তদন্তকে প্রভাবিত করুক এটা আমরা চাই না, এটা বিচারকরাও চান না।”

কক্সবাজারের টেকনাফে মেজর (অব.) সিনহা হত্যার ঘটনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গঠিত কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন গত সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁনের কাছে জমা দেওয়া হয়।