'করোনাভাইরাসের ব্রাজিলীয় ধরনে বিরুদ্ধেও কার্যকর অ্যাস্ট্রাজেনেকা'
ট্রিবিউন ডেস্কআন্তর্জাতিক
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিচালিত একটি গবেষণার প্রাথমিক তথ্যে বলা হয়েছে, অ্যাস্ট্রাজেনেকা পিএলসি-র কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন পি১ বা ভাইরাসের ব্রাজিলীয় প্রজাতির বিরুদ্ধে কার্যকর। শুক্রবার (৫ মার্চ) গবেষণায় সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছে।
সূত্রটির দেওয়া তথ্যানুসারে রয়টার্সের প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ব্রাজিলীয় ধরন ভাইরাসটির বিরুদ্ধে সুরক্ষার জন্য ভ্যাকসিনটি সংশোধন করার প্রয়োজন নেই। প্রসঙ্গত, ভাইরাসটির ব্রাজিলীয় ধরনের উদ্ভব আমাজনের শহর মানাউসে বলে ধারণা করা হয়। তবে গবেষণাটির ফলাফল এখনও প্রকাশিত হয়নি বলে নাম না প্রকাশের জন্য রয়টার্সকে অনুরোধ করেছে সূত্রটি।
সূত্রটি, এই ভাইরাসটির বিরুদ্ধে ভ্যাকসিনের সঠিক কার্যকারিতার তথ্য সরবরাহ করেনি। সম্ভবত মার্চ মাসেই গবেষণার পুরো ফলাফল শীঘ্রই প্রকাশ করা হতে পারে বলে জানায় তারা।
গবেষণাটির প্রাথমিক ফলাফলে জানা গেছে, অ্যাস্ট্রাজেনেকা ভ্যাকসিন ভাইরাসের দক্ষিণ আফ্রিকার ধরনের বিরুদ্ধে কম কার্যকর ছিল, যা পি১- এর এর সমকক্ষ। পরবর্তীতে দক্ষিণ আফ্রিকা দেশটিতে ভ্যাকসিনের কার্যক্রম স্থগিত রাখে। একটি ছোট-নমুনা সমীক্ষায় বলা হয়েছে, যে চীনের সিনোভাকের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনটি ভাইরাসের ব্রাজিলীয় ধরনের বিরুদ্ধে কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে না।
গবেষণাটির নমুনা সরবরাহকারী সংস্থা রয়টার্সকে বলেছে, তাদের কাছে এ গবেষণা সংক্রান্ত কোন তথ্য নেই। কেননা এটি পরিচালনা করছে অ্যাস্ট্রাজেনেকা এবং অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়। অ্যাস্ট্রাজেনেকা এবং অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা তাৎক্ষণিকভাবে কোন মন্তব্য করেনি।
ব্রাজিল বর্তমানে করোনাভাইরাসের দীর্ঘমেয়দী দ্বিতীয় তরঙ্গের মুখোমুখি হচ্ছে। গত বুধবার ২৪ ঘণ্টায় ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ১,৯১০ জনের মৃত্যু সর্বোচ্চ রেকর্ড করে।
মহামারি বিশেষজ্ঞদের ধারণা, পি১ টি আক্রান্তের সংখ্যা ও মৃত্যুর হার বাড়াতে দায়ী এবং ভাইরাসের এই প্রজাতির ভ্যাকসিন-প্রতিরোধ ক্ষমতা বিষয়ে উদ্বেগও রয়েছে।