https://bng-media.dhakatribune.com/?width=undefined&height=undefined&quality=90&image=/uploads/2021/08/c158890aedc04209a739aae3ffebcc-610f0882915ce-1628427124251.jpg

হিজবুল্লাহ প্রধান: ইসরায়েলের যেকোনো হামলার জবাব দেবে হিজবুল্লাহ

ট্রিবিউন ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

এই সপ্তাহে সীমান্ত উত্তেজনার পর লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলার বিরুদ্ধে কড়া জবাবের হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান সমর্থিত লেবাননের হিজবুল্লাহ গোষ্ঠী। শুধু বিমান হামলাই নয়, ইসরায়েলের যেকোনো হামলার বিরুদ্ধেই “প্রতিশোধ” নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন হিজবুল্লাহ আন্দোলনের প্রধান হাসান নাসরুল্লাহ।

রবিবার (৮ আগস্ট) কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ কথা জানা যায়।

২০০৬ সালে ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হওয়ার বর্ষপূর্তির আগে এক টেলিভিশন ভাষণে হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরুল্লাহ বলেন, “আমাদের জবাব ১৫ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলার সাথে সম্পর্কিত ছিল।”

তিনি বলেন, “আমরা শত্রুদের জানাতে চাই, দেশ ও দেশের নিরাপত্তা রক্ষার উদ্দেশ্য পূরণে লেবাননে ইসরাইয়েলি বিমান বাহিনীর যেকোনো বিমান হামলার বিরুদ্ধে যেকোনো মূল্যে জবাব দেওয়া হবে।”

নাসরুল্লাহ আরও বলেন, “বিমান হামলা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। তবে চলমান পরিস্থিতি যুদ্ধের দিকে টেনে নেওয়ার কোনো ইচ্ছে নেই। হিজবুল্লাহ কোন যুদ্ধ জড়াতে চায় না। কিন্তু হিজবুল্লাহ প্রয়োজনে প্রস্তুত।”

বিগত কিছু দিনে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা বেড়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) লেবাননের মাটিতে ইসরায়েল প্রথম বিমান হামলা চালায়, যা কিনা ২০১৪ সালের পর লেবাননে হওয়া ইসরায়েলের প্রথম বিমান হামলা। এই হামলার পরের দিনেই হিজবুল্লাহ ইসরাইলে ফের রকেট হামলা চালায়।

পরদিন (শুক্রবার) হিজবুল্লাহকে ইসরায়েলে রকেট হামলা থেকে বিরত রাখার ব্যাপারে লেবাননের সরকারকে আহ্বান জানায় যুক্তরাষ্ট্র।

উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে ইরান সমর্থিত হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে ইসরায়েল। ৩৩ দিনের ওই যুদ্ধে লেবাননের ১২০০ সাধারণ মানুষ ও ১৬০ ইসরায়েলি নিহত হয়। ২০০৬ সালের ১৪ আগস্ট  জাতিসংঘ সমর্থিত যুদ্ধবিরতির মধ্য দিয়ে এর সমাপ্তি ঘটে। এরপর সীমান্ত এলাকায় লেবাননের সেনা মোতায়েন করা হয়। তারপর থেকে বেশিরভাগ সময় লেবানন-ইসরায়েল সীমান্ত শান্তই ছিল।