• শনিবার, অক্টোবর ১৯, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:৩৮ রাত

দানের অর্থে শতকোটিপতির পথে কাইলি!

  • প্রকাশিত ০৭:২৩ রাত জুলাই ১৬, ২০১৮
kylie-jenner-mill-1531746926308.jpg
স্ব-প্রতিষ্ঠিত কাইলি। ছবি: সংগৃহীত

এই ‘ফান্ড রাইজিং’-এ অধিকাংশই দান করছেন পাঁচ ডলার, তবে একজন ১০০ ডলারও দিয়েছেন।

দরকার মাত্র একশত মিলিয়ন ডলার। বাস তাহলেই তিনি হয়ে যাবেন বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ ধনকুবের।  

তাই বিশ বছর বয়সী কাইলি জেনারকে বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ ধনকুবের বানাতে দান সংগ্রহ করতে উঠেপড়ে লেগেছে মানুষ। 

গেল সপ্তাহ ফোর্বসের একটি প্রতিবেদনে বলা হয় বিশ বছরের প্রসাধনী ব্যবসায়ী কাইলি জেনার বিশ্বের স্ব-প্রতিষ্ঠিত বিলিয়নার হওয়া থেকে মাত্র একশত মিলিয়ন পিছিয়ে। 

এই খবর প্রকাশিত হবার পর টুইটারে অনেকেই ফোঁড়ন কেটে এই একশত মিলিয়ন দান-দরবার করে যোগার করে দেবার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। 


এরপরই এক নারী মন্তব্য করেন, 'এই মেয়েকে আইকনিক বিলিয়নার বানানোর জন্য বাচ্চাদের সাহায্যার্থে জমান টাকা উৎসর্গ করলাম।' 


কিন্তু এই কৌতুককে একদম বাস্তবের রুপ দিয়ে ফেললেন জশ অস্ত্রভস্কি নামের একজন ইনস্টাগ্রাম তারকা যার ইনস্টাগ্রামের নাম ‘দ্য ফ্যাট জিউ’। এ পর্যন্ত কাইলির সম্মানে তার বানান ‘গো ফান্ড মি ক্যাম্পেইন’ থেকে উঠে এসেছে দুইশত আটষট্টি ডলার! 

ক্যাম্পেইনটির বিবরণীতে লেখা, ‘আমি এমন একটি পৃথিবীতে থাকতে চাইনা যেখানে কাইলি জেনারের একটি বিলিয়ন ডলারও নাই। তাকে বিলিয়ন করতে আমাদের অবশ্যই একশত মিলিয়ন ডলার যোগার করতেই হবে। দয়া করে সবাইকে জানান এ ব্যাপারে, এটা খুবি জরুরি একটা বিষয়’।       

এই ‘ফান্ড রাইজিং’-এ অধিকাংশই দান করছেন পাঁচ ডলার, তবে একজন ১০০ ডলারও দিয়েছেন। আশঙ্কা করা হচ্ছে যদি শীঘ্রই এই ক্যাম্পেইনের গুরুত্ব বুঝাতে না পারা যায়, তবে মানুষ আর দান করবে না। আপাতত, অনেকেই এই ঘটনাটিকে স্রেফ একটি ঠাট্টা হিসেবেই দেখছে।  

উল্লেখ্য, ‘ক্রাউড ফান্ডিং’ করে অতিধনি কারো জন্য কিছু করা এবারই প্রথম নয়। এর আগে সিবিএস’এর একটি প্রতিবেদনে টেসলার ফ্যাক্টরিতে ইলন মাস্কের মাটিতে ঘুমানোর কথা প্রকাশিত হলে এ বছরেরই এপ্রিলে একটি ‘গো ফান্ড মি ক্যাম্পেইন’এর মাধ্যমে প্রায় সাত হাজার ডলারেরও বেশি সংগ্রহ করে মাস্কের জন্য খাট কিনে দেয়া হয়েছিল।