• শুক্রবার, ডিসেম্বর ০৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৬:৫১ সন্ধ্যা

ভারতের ইউপিতে ধর্ষণের পর মন্দিরে পুড়িয়া হত্যা

  • প্রকাশিত ০৩:৪৯ রাত জুলাই ১৭, ২০১৮
india-rape-case-1531777605357.jpg
উত্তর প্রদেশে ২০১৬ সালে ধর্ষণের চার হাজার আটশটিরও অধিক মামলা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

প্রাথমিক তদন্ত থেকে জানা গেছে, নির্যাতনকারীরা তাঁরই বর্ধিত পরিবারের সদস্য। বলা হচ্ছে, কোন এক ব্যক্তির সাথে দেখা করায় ৩৫ বছর বয়সী এই নারী তাদের বর্বরতার শিকার হয়।

ভারতে নারীর প্রতি যৌন সহিংসতা বেড়েই চলেছে। এক প্রতিবেদন অনুসারে দেশেব্যাপী  প্রায় ৪০ হাজারটি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে শুধু ২০১৬ সালেই।  

সোমবার এক নারীকে সম্মিলিতভাবে ধর্ষণ এবং পুড়িয়ে হত্যা করার ঘটনায় দুইজন পুরুষকে ভারতীয় পুলিশ গ্রেফতার করে। এই নারকীয় ঘটনায় সমস্ত প্রশাসন স্তম্ভিত। 

শনিবার পাঁচ জন পুরুষ  বাড়ির দরজা ভেঙ্গে অনুপ্রবেশ করে তাকে  একে একে ধর্ষণ করে। এরপর তাকে একটি মন্দিরে নিয়ে গিয়ে সেখানে পুড়িয়ে হত্যা করে।  ভারতের উত্তর প্রদেশের উত্তরে এই পাশবিক ঘটনাটি ঘটে। 

স্থানীয় পুলিশদের প্রধান রাধে মোহন জানান, অভিযুক্তদের মধ্যে দুজনকে সোমবার পাশের জেলা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আমরা বাকী অপরাধীদের খুঁজছি।     

প্রাথমিক তদন্ত থেকে জানা গেছে, নির্যাতনকারীরা তাঁরই বর্ধিত পরিবারের সদস্য। বলা হচ্ছে, কোন এক ব্যক্তির সাথে দেখা করায় ৩৫ বছর বয়সী এই নারী তাদের বর্বরতার শিকার হয়।

পুলিশ জানিয়ছে, দুই সন্তানের জননী এই নির্যাতিত নারী তাঁর ওপর হওয়া নির্যাতনের পর তাঁর স্বামীকে ফোনে অপরাধীদের পরিচয় জানিয়ে দেন। এরপরই তারা তাক মন্দিরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে। 

এক প্রতিবেদন অনুসারে, উত্তর প্রদেশে ২০১৬ সালে ধর্ষণের চার হাজার আটশটিরও অধিক মামলা তালিকাভুক্ত করা হয়।   

চলতি মাসেই হওয়া বেশকটি ধর্ষণের মামলায় পুরো দেশ স্তম্ভিত হয়ে যায়। এর মধ্যে একটি মামলায় দেশটির ক্ষমতাসীন দলের এক বিধানকর্তার নামও উঠে আসে।  

উলেখ্য, ২০১২ সালে ঘটা দিল্লির চলন্ত বাসে ধরণ এবং হত্যার ঘটনার পর ক্ষিপ্ত জনতার জোরদার আন্দোলনের পর থেকে ভারত বিশ্বের কাছে চিহ্নিত হয়ে আছে।