• বুধবার, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:১৫ রাত

হয়রানির পর ‘ক্ষমাপ্রার্থী’ ইজিজেট এয়ারলাইন্স

  • প্রকাশিত ০৮:৫০ রাত জুলাই ২৩, ২০১৮
bangladesh-passport-1532357334087.jpg
বাংলাদেশি পাসপোর্ট। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

সুলতানার বাংলাদেশি পাসপোর্ট দেখেই আটকে দেন কর্তব্যরত নারী কর্মকর্তা।

লন্ডনের গেটউইক এয়ারপোর্টে এক বাংলাদেশি নারীর ভিসা আটকে দেওয়ায় নির্ধারিত ফ্লাইট মিস করেছেন তিনি ও তার ছয় সদস্যের ব্রিটিশ-বাংলাদেশি পরিবার। 'পাসপোর্ট সম্ভবত সঠিক নয়' এমন সন্দেহে আটকে দেওয়া হয়েছিল তার ভিসা। পরে পরিবারটির কাছে নিজেদের ভুল স্বীকার করেছে ইজিজেট এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ।

বোর্ডিংপাস ইস্যুর সময় ইজিজেট এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ সুলতানা বেগমের ‘ভিসা সম্ভবত সঠিক নয়’ অভিযোগ তুলে পাসপোর্ট আটকে দিয়েছিল। এ প্রসঙ্গে তার স্বামী সালেহ আহমদ জানিয়েছেন, স্ত্রী সুলতানা বেগম (৩৭) একজন বাংলাদেশি নাগরিক। ১৯৮৮ সাল থেকে সুলতানা ব্রিটেনে বসবাস করছেন। তার পাসপোর্টে ব্রিটেনে স্থায়ীভাবে বসবাসের ভিসা রয়েছে। আর ওই পাসপোর্ট নিয়ে সুলতানা বহু দেশে যাতায়াত করেছেন।

সালেহ আহমদ অভিযোগ করেন, তার নিজের ও চার সন্তানের ব্রিটিশ পাসপোর্ট থাকায় তাদের বোর্ডিং পাস দিলেও সুলতানার বাংলাদেশি পাসপোর্ট দেখেই আটকে দেন কর্তব্যরত নারী কর্মকর্তা। সুলতানার ভিসা সম্ভবত সঠিক নয় বলে ইউকেবিএর সঙ্গে যোগাযোগ করেন ঐ কর্মকর্তা। ভিসা আটকে দেওয়ায় শেষ মুহুর্তে তারা ফ্লাইটটি মিস করেন। 

সালেহর অভিযোগ, বৈষম্য ও বর্ণবাদের শিকার হয়েছেন তার স্ত্রী। ফ্লাইট মিস করার পরে তাদের নিয়ে যাওয়া হয় কাস্টমার সার্ভিস ডেস্কে। সেখানেও আড়াই ঘণ্টা অফিসের বাইরে ফ্লোরে বসে অপেক্ষা করতে হয় তাদের। পোহাতে হয় দুর্ভোগ। আড়াই ঘণ্টা পর তাদের জানানো হয়, তারা যেন বাড়ি ফিরে যান, পরবর্তীতে তাদের জানানো হবে।

পরে ইউকে বর্ডার এজেন্সি জানায়, সুলতানা বেগমের ভিসা সঠিক ছিল। এরপর ইজিজেট কর্তৃপক্ষ জানায়, তাদের পরবর্তীতে ফ্লাইটে নেওয়া হবে। কিন্তু তাদের সে ফ্লাইটের সময় জানানো হয়নি।

এ ঘটনায় ইজিজেটের একজন মুখপাত্র ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্টকে জানান, “সুলতানা বেগমের ক্ষেত্রে ইজিজেটের কর্তব্যরত কর্মকর্তা ইউকে বর্ডার এজেন্সির কাছে ভিসার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সাহায্য চান। ঐ যাত্রীর ভিসা সঠিক রয়েছে এবং আমরা তাদের বিনামূল্যে দ্রুত অন্য ফ্লাইটে ট্রান্সফার করবো। এ ঘটনায় আমরা ক্ষমাপ্রার্থী।”