• বুধবার, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:১৫ রাত

সন্তান আটকে ‘বাবা-মা’ ফেরত পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

  • প্রকাশিত ১০:৫৬ রাত জুলাই ২৪, ২০১৮
unnamed-1532451286335.jpg
৪৬৩ জন বাবা-মা’কে সন্তান রেখেই নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। ছবি: গেটি ইমেজেস

৪৬৩ জন বাবা-মা’কে সন্তান রেখেই নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে জানানো হয়েছে আদালতে উপস্থাপিত এক প্রতিবেদনে।

সন্তান আটকে রেখেই সাড়ে চার শতাধিক বাবা-মা’কে নিজ দেশে ফিরতে বাধ্য করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এদের সবাই অবৈধ অভিবাসী আইনে আটক ছিলেন। উল্লেখ্য, চলতি বছরের এপ্রিল মাসে ‘জিরো টলারেন্স নীতি’ ঘোষণা করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। পরবর্তীতে অভ্যন্তরীন ও আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখে জুন মাসে ওই নীতি প্রত্যাহার করা হয়।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স-এর বরাতে জানা গেছে, ৪৬৩ জন বাবা-মা’কে সন্তান রেখেই নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলেই জানানো হয়েছে আদালতে উপস্থাপিত এক প্রতিবেদনে। সোমবার এই প্রতিবেদনটি আদালতে পেশ করা হয়।

আদালতে সরকারের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, মোট ৯১৭ জন বাবা-মা তাদের সন্তানদের সঙ্গে পুনর্মিলনের ব্যাপারে যোগ্য নয় অথবা তারা যোগ্য কিনা তা জানা সম্ভব হয়নি। এসব মানুষের মধ্যে সন্তানকে রেখেই নিজ দেশে ফিরে যাওয়া বাবা-মায়েরাও রয়েছেন। এ ছাড়াও অপরাধ বা অন্যান্য কারণে কিছু বাবা-মায়ের কাছে তাদের সন্তানকে ফিরিয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। 

তবে, আদালতে এসব বাবা-মায়ের দেশত্যাগের কথা জানানো হলেও তার কারণ উল্লেখ করা হয়নি। এদিকে, শিশু অধিকার রক্ষায় কাজ করা ‘কিডস ইন নিড অব ডিফেন্স’ নামে এক সংস্থার মুখপাত্র মেগান ম্যাককেননা জুলাই মাসের শুরুতে রয়টার্সকে বলেন, “বাবা-মায়ের ইচ্ছা না জানতে পারলে আমরা কীভাবে একটি মামলা নিয়ে কাজ করতে পারি?”

অভিবাসন উপদেষ্টারা ইতোমধ্যেই অবশ্য সন্তানকে রেখে দেশত্যাগ করা বাবা-মায়ের ব্যাপারে সতর্কতা জানিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে তারা বলেছেন, এতে দেশে শিশু অভিবাসনের বিষয়টি নিয়ে জটিলতা দেখা দিতে পারে। অন্যদিকে, আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন জানিয়েছে, তাদের কাছে সন্তানকে রেখেই দেশে ফিরে যাওয়া বাবা-মায়ের কোনও তালিকা নেই। সংস্থাটি আদালতে বলেছে, এসব বাবা-মায়ের জরুরি ভিত্তিতে আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। যাতে তারা ভুল করেও তাদের সন্তানদের যুক্তরাষ্ট্রে রাখতে না চায়।