• মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১১, ২০১৮
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫৪ রাত

উত্তর কোরিয়া এখনও পরমাণু কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে, দাবি জাতিসংঘের

  • প্রকাশিত ০৭:৩৬ রাত আগস্ট ৪, ২০১৮
north korea
২০১৭ সালে উত্তর কোরিয়া দূরপাল্লার ক্ষেপনাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছিল। ছবি- বিবিসি

কোরীয় উপদ্বীপকে পরমাণু অস্ত্রমুক্ত করার প্রতিশ্রুতি ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তুলনামূলক উষ্ণ সম্পর্কের মধ্যেও উত্তর কোরিয়া নতুন একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণে কাজ করছে বলে গত সপ্তাহেই সন্দেহের কথা জানিয়েছিলেন মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।

উত্তর কোরিয়া এখনও তাদের পরমাণু কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করেছে জাতিসংঘ। স্বতন্ত্র বিশেষজ্ঞদের একটি প্যানেল শুক্রবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে গোপনীয় এ প্রতিবেদন জমা দেয়। 

তবে এ বিষয়ে উত্তর কোরিয়া এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেনি বলে জানিয়েছে বিবিসি। 

সমুদ্রপথে পিয়ংইয়ং অবৈধভাবে জাহাজ থেকে জাহাজে তেলজাত পণ্য স্থানান্তরের প্রক্রিয়া বাড়িয়েছে; অন্যান্য রাষ্ট্রে তাদের অস্ত্র বিক্রির চেষ্টাও অব্যাহত আছে, বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

কোরীয় উপদ্বীপকে পরমাণু অস্ত্রমুক্ত করার প্রতিশ্রুতি ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তুলনামূলক উষ্ণ সম্পর্কের মধ্যেও উত্তর কোরিয়া নতুন একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণে কাজ করছে বলে গত সপ্তাহেই সন্দেহের কথা জানিয়েছিলেন মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।

উপগ্রহের ছবির বরাত দিয়ে তারা বলেছিলেন, পিয়ংইয়ংয়ের কাছে একটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে ‘নিয়মিত তৎপরতা দেখা যাচ্ছে’।

জুনে সিঙ্গাপুরের সানতোসা দ্বীপে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক বৈঠকে উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উন কোরীয় উপদ্বীপকে সম্পূর্ণ পরমাণু অস্ত্রমুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিলেও কীভাবে ও কতদিনের মধ্যে এটি অর্জিত হবে, তার কোনো ইঙ্গিত দেননি।

পরমাণু অস্ত্র  ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার কারণে পিয়ংইয়ংয়ের ওপর এখনো জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নিষেধাজ্ঞা আছে।

জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়িত হচ্ছে কিনা, তা পর্যবেক্ষণকারী বিশেষজ্ঞরা শুক্রবার নিরাপত্তা পরিষদে এ প্রতিবেদন দেয়। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, “উত্তর কোরিয়া তার পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বন্ধ করেনি, অবৈধ উপায়ে জাহাজ থেকে জাহাজে পেট্রলিয়াম পণ্য স্থানান্তরের পরিমাণ বাড়িয়ে তারা নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্তকে ধারাবাহিকভাবে অমান্য করছে; সমুদ্রপথে ২০১৮ সালে তারা কয়লাও স্থানান্তর করেছে।”

বিদেশি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে পিয়ংইয়ং হালকা অস্ত্রশস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম লিবিয়া, ইয়েমেন ও সুদানে সরবরাহেরও চেষ্টা চালাচ্ছে, দাবি বিশেষজ্ঞদের।

উত্তর কোরিয়ার এসব কর্মকাণ্ড তাদের ওপর দেওয়া অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞাকে ‘অকার্যকর’ করে দিচ্ছে বলেও মন্তব্য করে প্যানেল।