• বুধবার, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:১৫ রাত

যুক্তরাষ্ট্রের আটক কেন্দ্রে থাকার পর শিশুর মৃত্যু

  • প্রকাশিত ০৭:৫২ রাত আগস্ট ২৯, ২০১৮
যুক্তরাষ্ট্রে আটক কেন্দ্রে থাকার পর শিশুর মৃত্যু
যুক্তরাষ্ট্রে আটক কেন্দ্রে থাকার পর শিশুর মৃত্যু। ছবি: রয়টার্স

ইয়াজমিন জুয়ারেজ ডিলেই (২০)এবং তার ১৯ মাস বয়সী মেয়ে মেরিকে আটক করে টেক্সাসের একটি আটক কেন্দ্রে বন্দি রাখা হয়।

‘অন্যায় ও নির্মম আচরণ’ করে মেয়েকে মেরে ফেলার জন্য মার্কিন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন গুয়াতেমালার এক অভিবাসন প্রত্যাশী। মঙ্গলবার ওই নারীর আইনজীবী এ বিষয়টি সম্পর্কে জানিয়েছেন।

বার্তা সংস্থা এএফপির বরাতে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের আটক কেন্দ্রে ছয় সপ্তাহ আটক থাকার পর মুত্যুবরণ করে অভিযোগকারীর মেয়ে। 

২০১৮ সালের মার্চে মেক্সিকো থেকে অবৈধ উপায়ে রিও গ্রান্ডে নদী পার হয়ে মার্কিন ভূখন্ডে আসার অপরাধে ইয়াজমিন জুয়ারেজ ডিলেই (২০)এবং তার ১৯ মাস বয়সী মেয়ে মেরিকে আটক করে টেক্সাসের একটি আটক কেন্দ্রে বন্দি রাখা হয়।

শিশুটির মৃত্যু প্রসঙ্গে আর্নল্ড অ্যান্ড পর্টার ল’ ফার্মের আইনজীবি আর. স্যান্টন জোন্স এক বিবৃতিতে বলেছেন, “ছোট্ট এই শিশুটির জন্য যারা নিরাপত্তা, স্যানিটারি ব্যবস্থা ও যথাযথ চিকিৎসা সেবা দিতে ব্যর্থ হয়েছেন, তারাই এই মর্মান্তিক মৃত্যুর জন্য দায়ি।”

তিনি আরও বলেন, “আটককেন্দ্রে ম্যারি জুয়ারেজ ডিলেই একটি স্বাস্থ্যবান মেয়ে শিশু নিয়ে প্রবেশ করেন এবং ২০ দিন পর অত্যন্ত দুর্বল ও অসুস্থ শিশুসহ তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। এ সময় শিশুটির অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। তার শ্বাসপ্রশ্বাসে মারাত্মক সংক্রমণ দেখা দিয়েছিল।”

তার মুক্তির পর শিশুটিকে পৃথক দুটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় এবং ২০১৮ সালের ১০ মে শিশুটি মারা যায়। আর্নল্ড অ্যান্ড পোর্টার জুয়ারেজের তরফ থেকে অ্যারিজোনার এলোইয়ের কাছে ইতোমধ্যেই এ বিষয়ে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, অ্যারিজোনার এলোই সংস্থাটি কেন্দ্রীয় সরকার ও ওই বেসারকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যস্থতাকারী একটি পক্ষ হিসেবে কাজ করে।