• বুধবার, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:১৫ রাত

ফিলিস্তিনের হাসপাতালে সহায়তা বন্ধ করলেন ট্রাম্প

  • প্রকাশিত ০৫:৩৪ সন্ধ্যা সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৮
donald-trump-1532510964830.jpg
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স

আড়াই কোটি (২৫ মিলিয়ন) ডলার সহায়তা বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

পূর্ব জেরুজালেমের হাসপাতালে যুক্তরাষ্ট্রের বরাদ্দকৃত আড়াই কোটি (২৫ মিলিয়ন) ডলার সহায়তা বাতিল করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফিলিস্তিনিদের সুরক্ষার জন্য স্থাপিত ওই হাসপাতালে সহায়তা বন্ধ করায় ইতোমধ্যেই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন ফিলিস্তিনিরা। 

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, ফিলিস্তিনের বায়তুল মুকাদ্দাস শহরের মোট ছয়টি হাসপাতালকে এই আর্থিক সহযোগিতা দেয়া হতো। সম্প্রতি ওই তহবিল হাসপাতালের পরিবর্তে অন্য কোনও খাতে ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাম্প। এ সিদ্ধান্তটি ফিলিস্তিনিদের জন্য মার্কিন সহায়তা পুনর্বিবেচনা করার অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছে। 

ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, তাদের মুক্তি আন্দোলনকে থামিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকেই ধারাবাহিকভাবে গাজা ও পশ্চিম তীরে তহবিল বাতিল করছে যুক্তরাষ্ট্র। এ বছরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ফিলিস্তিনিদের জন্য মার্কিন সহায়তা বরাদ্দ করা হচ্ছে কিনা তা পুনর্বিবেচনা করার  নির্দেশ দেন ট্রাম্প। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা থেকে আগেই ফিলিস্তিনিদের জন্য বরাদ্দ  ৬৫ মিলিয়ন ডলার প্রত্যাহার করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। 

চলতি বছরের জুনে ফিলিস্তিনিদের আরেকটি সহযোগিতা বাতিল করা হয়। ২৪ আগস্ট ফিলিস্তিনের গাজা ও পশ্চিম তীরের জন্য বরাদ্দকৃত আর্থিক সহযোগিতা থেকে ২০ কোটি ডলারের বেশি তহবিল বাতিল করার নির্দেশ দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার পূর্ব জেরুজালেমের হাসপাতালগুলোতে বরাদ্দ বাতিলের ঘোষণা এলো।

মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, “সহায়তার ক্ষেত্রগুলো পুনর্বিবেচনার পর প্রেসিডেন্টের নির্দেশে আমরা পূর্ব জেরুজালেমের জন্য বরাদ্দকৃত প্রায় আড়াই কোটি ডলার সহায়তা অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছি। অন্যান্য জায়গায় সর্বোচ্চ প্রাধান্যের প্রকল্পগুলোতে এ তহবিল ব্যয় করা হবে।”

এদিকে ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, ফিলিস্তিনিদের মুক্তি আন্দোলনকে থামিয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা হিসেবেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। সহায়তা বন্ধের কারণে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়বেন লাখো ফিলিস্তিনি। এ ছাড়াও হাসপাতালের হাজারো কর্মীর জীবিকা অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে।