• বুধবার, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:১৫ রাত

বিশ্ব ঐতিহ্যে নাম লেখাচ্ছে সিঙ্গাপুরের হকার সংস্কৃতি

  • প্রকাশিত ০৭:০৪ রাত সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৮
Hawker Center
বিশ্ব ঐতিহ্যে নাম লেখাচ্ছে সিঙ্গাপুরের হকার সংস্কৃতি। ছবি: রয়টার্স

বর্তমানে হকার সেন্টারের সংখ্যা ১১০ হলেও, ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৭ সাল নাগাদ দেশটিতে হকার সেন্টারের সংখ্যা হবে ১২৭।

আমাদের দেশের মতো সিঙ্গাপুরের রাস্তাতেও প্রতিদিন দেখা মিলে অসংখ্য হকারের। সুস্বাদু খাবারের জন্য দেশটির হকার সেন্টারগুলো বেশ বিখ্যাত, প্রতিদিন ৬ হাজারেরও বেশি হকার রান্না করেন এই সেন্টারগুলোতে। সম্প্রতি দেশটির প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, বিশ্ব ঐতিহ্যের মর্যাদা পেতে যাচ্ছে সিঙ্গাপুরের এই হকার সংস্কৃতি।

সিঙ্গাপুরের রাস্তার এই খাবার বিক্রেতারা মূলত অভিবাসী হিসেবে পা রেখেছিলেন দেশটিতে। ১৯৭০ সালের দিকে তাদের থাকার বন্দোবস্ত করে দেয় সিঙ্গাপুর সরকার। আস্তে আস্তে দেশটিতে গড়ে ওঠে বিভিন্ন হকার সেন্টার। বর্তমানে হকার সেন্টারের সংখ্যা ১১০ হলেও, ধারণা করা হচ্ছে ২০২৭ সাল নাগাদ দেশটিতে হকার সেন্টারের সংখ্যা হবে ১২৭। পর্যটক এবং সিঙ্গাপুরের নাগরিক সবারই বেশ পছন্দ এই হকার সেন্টারগুলোর খাবার। 

সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লি সুয়েন লিং এক ঘোষণায় জানান, তাদের হকার সংস্কৃতি ইউনেস্কোর রিপ্রেজেন্টেটিভ লিস্ট অব ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটি-এর মনোনয়ন পেয়েছে। যদি সবকিছু ঠিকঠাক থাকে, তাহলে মালয়েশিয়ার মাক ইয়ং থিয়েটার, ইন্দোনেশিয়ার বাতিক-এর পাশে নাম লেখাবে সিঙ্গাপুরের হকার সংস্কৃতি। 

ন্যাশনাল ডে  র‌্যালিতে রাখা ওই বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী লি হকার সেন্টারগুলোকে ‘কমিউনিটি ডাইনিং রুম’ আখ্যা দিয়ে জানান, এটি দেশের একটি সংস্কৃতি এবং দেশের ঐতিহ্য এবং পরিচিতির অংশ। 

হকার সংস্কৃতির নাম ইউনেস্কোর খাতায় তালিকাভুক্ত করতে কাজ করছে দেশটির ন্যাশনাল হেরিটেজ বোর্ড (এনএইচবি), ন্যাশনাল এনভায়রনমেন্ট এজেন্সি এবং ফেডারশন অব মার্চেন্ট’স অ্যাসোসিয়েশনস সিঙ্গাপুর। সংস্থাগুলোর তরফ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমান সিঙ্গাপুরিয়ান পরিচিতি তৈরিতে হকার সংস্কৃতির যথেষ্ট অবদান রয়েছে।