• বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৮
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:২৩ রাত

নৌকাডুবিতে শিশুসহ শতাধিক অভিবাসন প্রত্যাশী নিহত

  • প্রকাশিত ০৮:৫৪ রাত সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৮
Sinking Boat
নৌকাডুবিতে শিশুসহ শতাধিক অভিবাসন প্রত্যাশী নিহত। ছবি: রয়টার্স

ইতালিয়ান কোস্টগার্ড সাহায্যের চেষ্টা করে। কিন্তু তারা পৌঁছানোর পূর্বেই নৌকা ডুবে যায়।

একটি রাবারের নৌকাডুবিতে লিবিয়া উপকূলে প্রাণ হারিয়েছেন ২০ শিশুসহ শতাধিক অভিবাসন প্রত্যাশী এমনটাই জানিয়েছে ত্রাণ সংস্থা ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্স। চলতি মাসের শুরুতে এই নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে বলে জানায় সংস্থাটি। 

সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনের বরাতে জানা গেছে, এবারই প্রথম নয়। এর আগে ১ জুলাই ইউরোপে পাড়ি জমানোর আশায় নৌকাডুবিতে নিহত হয়েছিলেন অন্তত ১ হাজার জন। জুনে ইতালীয় সরকার ও লিবীয় কোস্টগার্ড জানায়, ২০০ এরও বেশি মানুষ ভূমধ্যসাগড়ের ডুবে মারা গেছেন। ২০১৭ সালে এই সংখ্যা ৩ হাজারেরও বেশি ছিলো। 

সোমবার বেঁচে যাওয়া একজনকে উদ্ধৃত করে দাতা সংস্থাটির তরফ থেকে জানানো হয়, নিহতদের মধ্যে ১৭ মাস বয়সী জমজ ও তাদের বাবা-মাও ছিলো। ১ সেপ্টেম্বর লিবিয়া উপকূল থেকে যাত্রা ‍শুরু করে নৌকা দুটি। সুদান, মালি, নাইজেরিয়া, ক্যামেরুন, ঘানা, লিবিয়া, আলজেরিয়া ও মিসরের মতো আফ্রিকান দেশ থেকে অভিবাসীরা ইউরোপে পাড়ি জমানোর উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

হঠাৎ করেই একটি নৌকার ইঞ্জিনে ত্রুটি ধরা পড়ে এবং আরেকটি ভাঙতে শুরু করে। কয়েকজন ভাঙা অংশ আকড়ে ধরে বেঁচে গেছেন। এমএসএফ নামে পরিচিত ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্স জানায়, ইতালিয়ান কোস্টগার্ড সাহায্যের চেষ্টা করে। কিন্তু তারা পৌঁছানোর পূর্বেই নৌকা ডুবে যায়।

বেঁচে যাওয়া একজন এমএসএফকে জানান, ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে গেলে এলোপাতাড়ি ঘুরতে থাকে নৌকাটি। সে সময় ১৬৫ জন প্রাপ্তবয়স্ক ও ২০ জন শিশু ছিলো নৌকায়। ঘটনার সময় তিনি মোবাইল নেভিগেশনে দেখতে পান যে বেশি দূরে নয় মালটা উপকূল। 

তিনি বলেন, “আমরা সাঁতার কাঁটতে পারছিলাম না। লাইফ জ্যাকেট ছিলো অল্প কয়েকজনের কাছে। যারা নৌকা কিংবা ভাঙা অংশ ধরে রাখতে পেরেছিলেন তারাই এখনও বেঁচে আছে।”